
গত ৩১ জানুয়ারি দেশটির গুয়াইয়াকুইল শহরে অনুষ্ঠিত এক সভায় মোরেনো বলেন, ‘পুরুষরা প্রতিনিয়ত হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। আমি দেখছি, নারীরা অনেক সময় হয়রানির অভিযোগ করেন। হ্যাঁ, এটা ভালো।’
তিনি আরও বলেন, ‘কখনও কখনও নারীরা শুধু সেই ব্যক্তিদেরই হয়রানির টার্গেট করে যারা অসুন্দর। যদি ব্যক্তিটি আকর্ষণীয় হয়, সমাজের নিয়ম অনুসারে (নারীরা) এটাকে হয়রানি বলে মনে করবে না।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিরা এসময় প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের পর হাততালি দিলেও এই খবর প্রকাশ হওয়ার পরই শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা। পরে শুক্রবার ৬৬ বছর বয়সী মোরেনো এক টুইটবার্তায় নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চান।
তিনি বলেন, ‘হয়রানির বিষয়ে বক্তব্যে আমি কখনোই সহিংসতা বা হয়রানির মতো এমন গুরুতর ইস্যুকে ছোট করতে চাইনি। যদি এভাবেই ব্যাখ্যা করতে হয়, আমি ক্ষমা চাচ্ছি। আমি নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রত্যাখ্যান করি।’
তবে ক্ষমা চাইলেও তাতে সমালোচনার আগুন খুব একটা কমেনি। সোমবার দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির অন্যতম মানবাধিকার সংগঠন ‘কাউন্সিল ফর দ্য প্রটেকশন অব রাইটস’ মোরেনোর বক্তব্যকে যৌন হয়রানি নিয়ে ‘তামাশা’ উল্লেখ করে কড়া সমালোচনা করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে সমালোচনা চলছে।
সূত্র : সিএনএন
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



