
এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের বিহারের শেখপুরা জেলায়। ভারতের ইংরেজি দৈনিক দ্য স্টেটসম্যান জানায়, পরিবারটি অর্থের অভাবে মেয়ের চিকিৎসা করাতে পারছে না। কিডনি প্রতিস্থাপনের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ অনেকটাই কমে যাবে যদি মেয়েটির বাবা-মায়ের মাঝে কেউ একজন তাকে কিডনি দেয়। কিন্তু মেয়েকে বাঁচানো না গেলেও তারা কিডনি দিতে রাজি নন।
কাঞ্চনের বাবা দেবেশ রায় যাদব বলেন, ‘কে তাকে কিডনি দেবে? সে তো মেয়ে।’ এমনকি মেয়ের মা পর্যন্ত তাকে কিডনি দিতে আগ্রহী নন।
অসুস্থ হওয়ার পরে কাঞ্চনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পাটনার ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জানা যায় কাঞ্চনের দুইটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। তখন কিডনি স্থাপনের খরচ সম্পর্কে জানেন তার বাবা-মা। তারপরই তাকে আবার স্থানীয় হাসপাতালে ফেরত নিয়ে আসা হয়।
এমনকি বিভিন্ন সময় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনেকে চিকিৎসার খরচ বহনের আবেদন করে সাহায্য পেলেও সেখানেও আবেদন করেননি তারা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



