
পরে এক বিবৃতিতে এনএবি জানায়, খাজা আসিফের আয়ের সঙ্গে তার সম্পত্তির সামঞ্জস্য নেই। তার সম্পত্তির উৎস না জানাতে পারায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসিফকে এর আগেও তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি যাননি। তিনি তার আয়সহ অন্যান্য বিবরণীর হিসাবও দিতে পারেননি। এনএবির বক্তব্য, ১৯৯১ সালে আসিফের মোট সম্পত্তি ছিল পাঁচ দশমিক এক মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি। ২০১৮ সালে তা বেড়ে হয়েছে ২২১ মিলিয়ন। এত অর্থ কোথা থেকে এলো তার কাছে সেটা জানতে চেয়েছিল এনএবি। তিনি তার তথ্য দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নওয়াজ শরিফের অবর্তমানে দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা তিনি। এদিকে পাকিস্তানের বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা বলছেন, রাজনৈতিক কারণেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



