
রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক বেসরকারি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে বলে জানান তিনি।
নসরুল হামিদ বলেন, ডলারের সঙ্গে টাকার যে ডিফারেন্স হয়ে গেছে, এতে আমাদের প্রাইসিংয়ের ক্ষেত্রে একটা বড় পরিমাণ ডিফারেন্স হয়ে গেছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দামে।
তিনি বলেন, আমি কিন্তু বারবার একটা কথা বলে আসছি, আমরা দাম বাড়াচ্ছি না। আমরা সমন্বয় করছি। পাইকারি পর্যায়েও বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। তবে ভোক্তাদের ওপর যাতে খুব বেশি প্রভাব না পড়ে, সেভাবেই বাড়ানো হবে দাম। ৩টি স্তরে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ হবে। যেখানে মাসে ২০০ ইউনিটের কম ব্যবহার করলে ইউনিট প্রতি ৩০ পয়সা, ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারকারীদের ইউনিট প্রতি ৭০ থেকে ৮০ পয়সা বাড়বে।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রতি মাসে ভোক্তাপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ করে বাড়ানো হয়। আগামী ৩ বছর ভর্তুকির চাপ সামলাতে বিদ্যুতের দাম এভাবে সমন্বয় করা হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের মার্চ থেকে এ পর্যন্ত গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৩ বার বেড়েছে। এ ছাড়া পাইকারি পর্যায়ে বাড়ানো হয়েছে ১২ বার। ২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম পাঁচ শতাংশ হারে বাড়ানো হয়, যা ওই বছরের মার্চ থেকে কার্যকর হয়।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন কঙ্গোগামী কন্টিনজেন্ট সদস্যদের ব্রিফিং
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



