
২ মাস আগে ওই কিশোরের লেখা চিঠিটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নজরে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। মঙ্গলবার পিএমও থেকে ভাগলপুর জেলা প্রশাসনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ওই কিশোরের জন্ম বিহারে। তবে বাবার কর্মস্থলের কারণে এখন সে ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে থাকে। সেখানেই ওই কিশোরের বাবা রাজ্যের গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কর্মকর্তা। অন্যদিকে, মা পাটনার একটি ব্যাংকে সহযোগী ম্যানেজার। আর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক কখনই স্বাভাবিক নয়। দুজনের সম্পর্কের তিক্ততার মাঝেই বেড়ে উঠেছে সন্তান। কিন্তু আর সহ্য করা সম্ভব হয়নি তার পক্ষে। আর তাই উপায় না পেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে সে স্বেচ্ছামৃ’ত্যুর আবেদন করেছে।
সেখানে লিখেছে, তার ক্যান্সারাক্রান্ত বাবাকে কিছু সমাজবিরোধী খু’নের হুমকি দিচ্ছে। আর এই হুমকির নেপথ্যে রয়েছেন তারই মা!
এমনকি কিশোরের দাদু এবং কাকা দুজনই কিশোরের মাকে এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন। অভিযোগ রয়েছে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কেরও। এই একই অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে ওই কিশোরের বাবার বিরুদ্ধেও। গোটা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নজরে আসতেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পিএমও। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে তদন্তও। সূত্র: আজকাল
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



