
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি ‘অসুর’ শক্তির পতন হয়েছে বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেবী দুর্গার আবির্ভাব হয়েছে পৃথিবীতে অসুর শক্তিকে বধ করার জন্য। মানুষে মানুষে ভাতৃত্ব এবং সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার জন্য। হিংসা, প্রতিশোধ, প্রতিহিংসাকে দূর করে ভালোবাসার সমাজ নির্মাণ করতে। আজকে সেই সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বলে থাকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাকি সবচেয়ে ভালো বন্ধু তারাই। কিন্তু আপনারা যদি দেখেন, অতীতে যতগুলো ঘটনা ঘটেছে, তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের লোকেরাই ছিল। বাংলাদেশে আপনাদের সম্প্রদায়ের যত জমি, সম্পত্তি দখল করে নেওয়া হয়েছে, তার মূলেও তারাই ছিল। এই কথাটা বলতে পারি, আগামীতে আমাদের সরকার যখন প্রতিষ্ঠিত হবে, প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে বিচারের ব্যবস্থা করব। বাংলাদেশে আমরা সত্যিকার অর্থেই একটা অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ নির্মাণ করব।
সরকারের কাছে সাম্প্রতিক সহিংসতায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের ক্ষতি পূরণ দেওয়ার দাবিও জানান মির্জা ফখরুল।
এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ দলটির অনেকে উপস্থিত ছিলেন। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



