
এদিকে ক্যাপ্টেন নওশাদের জন্য সর্বোচ্চ চিকিৎসা ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানান সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন।
মাস্কাট থেকে ১২৪ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে গত শুক্রবার (২৭ আগস্ট) মাঝ আকাশে ‘হার্ট অ্যাটাক’ হয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদের।
ভারতের নাগপুরে জরুরি অবতরণের পর গত তিনদিন কিংস ওয়ে হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। সোমবার সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইয়ুম ২০০২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে এফ-২৮ উড়োজাহাজে ফাস্ট অফিসার পদে যোগ দেন। সেখান থেকে এয়ারবাস ৩১০-এ ফাস্ট অফিসার হিসেবে প্রমোশন পান। এরপর ৭৭৭-৩০০ ইআর উড়োজাহাজের ফাস্ট অফিসার হিসেবে পদোন্নতি পান। পরে বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজেরর ক্যাপ্টেন হিসেবে পদোন্নতি পান। তিনি বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



