
জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার বানু ছুটিতে থাকায় এমন বিপাকে পড়েছেন শিক্ষকরা। এমনকি চলতি মাসের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটিতে থাকবেন তিনি।
কালীগঞ্জ প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের উচ্চমান সহকারী মেহেদী সোহরাব হোসেন জানান, সেলিনা আক্তার মেডিকেল ছুটিতে আছেন। তিনি হাঁটুতে ব্যথার কারণে চলাফেরা করতে পারছেন না।
তিনি জানান, শিক্ষা অফিসার ছুটিতে থাকায় অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ মোট ৮৯০ জন ডিসেম্বর মাসের বেতন-ভাতা পাননি। সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিন আক্তার স্যার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকলেও তার আর্থিক লেনদেন বিষয়ে ক্ষমতা না থাকায় বেতন আটকে আছে।
তবে বেতন চেয়ে তিনি ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতার কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিষয়টি মহাপরিচালককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। তিনি অনুমোদন দিলে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা বেতন দিতে পারবেন।
এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার বানু বলেন, বেতনের বিষয়টি ওপর মহলে জানানো হয়েছে। আশাকরি, দু-এক দিনের মধ্যে শিক্ষকরা বেতন-ভাতা পেয়ে যাবেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



