
রয়েল এন্টারপ্রাইজ কয়েকজন কাস্টমস কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বন্দরের ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড থেকে ৩৯ ট্রাক আঙুর, টমেটো ও আনারের ২টি চালান (কাস্টমস নম্বর- বি/ই সি-৪৮৬৮৩ ও সি-৪৮৬৭০ সহ ৮টি বি/ই) বিপরীতে কোন দলিল না দেখিয়েই বন্দর থেকে বের করে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার আজিজুর রহমান ও অতিরিক্ত কমিশনার ড. নেয়ামুল ইসলামের যৌথ প্রচেষ্টায় সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ফাঁকি দেয়া রাজস্ব আদায় করে। পরে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থ্যা হিসাবে লাইসেন্স সাময়িক বাতিল করে।
এদিকে রয়েল এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, প্রতি শনিবার বন্ধের দিন কাস্টমস কর্মকর্তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে পণ্য পাচার করে থাকে তারা। রয়েল এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে একাধিক রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে
কাস্টমস হাউসে। রয়েল এন্টাপ্রাইজের মালিক রফিকুল ইসলাম রয়েল বলেন, তার সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্স সাময়িকর বাতিল করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বে সে ৩৯ ট্রাক পণ্য চালানের রাজস্ব পরের দিন পরিশোধ করেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় সোনালী ব্যাংকে রাজস্বের টাকা জমা করতে পারেননি। বেনাপোল কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার ড. নেয়ামুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, জালিয়াতি করে বন্দর থেকে ৩৯ ট্রাক পণ্য বের করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে রয়েল এন্টাপ্রাইজের লাইসেন্স সাময়িক বাতিল করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে। রাজস্ব ফাঁকির বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



