
ভারতীয় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩১১ জন। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ৯ হাজার ১৯৫ জন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সবচেয়ে বিপর্যস্ত পাঁচ রাজ্য মহারাষ্ট্র, দিল্লি, গুজরাট, তামিলনাড়ু ও উত্তরপ্রদেশ। এর মধ্যে শুধু মহারাষ্ট্রেই মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৮৩০। মৃতের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা গুজরাটে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৪৪৮ জন। দিল্লিতে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২৭১।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণেও শীর্ষে মহারাষ্ট্র। একমাত্র এ রাজ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, এ রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১ লাখ ৪ হাজার ৫৬৮ জন। এছাড়া তামিলনাড়ুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ হাজার ৬৮৭ জন। দিল্লিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮ হাজার ৯৫৮ জন। গুজরাটে করোনা পজিটিভ ২৩ হাজার ৩৮ জন মানুষ। উত্তরপ্রদেশে আক্রান্ত ১৩ হাজার ১১৮ জন।
করোনা সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে পশ্চিমবঙ্গেও। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসেবে এ রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১০ হাজার ৬৯৮ জন। রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪৬৩ জনের।
এদিকে, সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনায় শনিবার মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনসহ মন্ত্রিসভার প্রবীণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত এলাকার সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে উঠে এসেছে, দেশের মোট করোনা আক্রান্তের দুই-তৃতীয়াংশই রয়েছে পাঁচ রাজ্যে। তাছাড়া এই রাজ্যগুলোর বড় শহরগুলোতেও দ্রুত হারে বাড়ছে সংক্রমণ। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত পাঁচ রাজ্যে করোনার লাগাম টানতে আরও জোরালো পরিকল্পনার নির্দেশ দিয়েছেন মোদি। আগামী ১৬ ও ১৭ জুন দুইদিন রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি।
এদিকে জরুরি ভিত্তিতে করোনা চিকিৎসার জন্য গাইডলাইনে সংশোধনী এনেছে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়েছে, জরুরি পরিস্থিতিতে রেমডেসিভির ওষুধ প্রয়োগ করা যাবে। প্রয়োগ করা যাবে টসিলিজুমেব ওষুধ আর প্রয়োজনে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করা যেতে পারে। জানা গেছে, রেমডেসিভির সংক্রমণ প্রতিষেধক আর টসিলিজুমেব রোগ প্রতিরোধকারী ওষুধ হিসেবে কার্যকরী। পাশাপাশি করোনা চিকিৎসার একদম শুরুতে ম্যালেরিয়া-প্রতিরোধী হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার করতে পারেন চিকিৎসকরা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



