Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে ধান খেতে অজ্ঞাত এক মরদেহ পড়েছিল। সেই লাশের শেষকৃত্যের জন্য কিছু লোক প্রয়োজন ছিল। কিন্তু কেউ তা দেখে এগিয়ে আসেননি। খবর পেয়ে ছুটে আসেন এক নারী পুলিশ কর্মকর্তা। ওই নারী পুলিশ কর্মকর্তা লাশের খাটিয়ার এক পাশ ধরেন। তাকে দেখে এক ব্যক্তি আরেক পাশ ধরেন।

আর এই মরদেহ সৎকারের জন্য কাঁধে তুলে দুই কিলোমিটার হেঁটে গেলেন ওই নারী পুলিশ কর্মকর্তা। অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলার পালাসা শহরে এ ঘটনাটি ঘটেছে। পরে এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়। নেটিজেনরা ওই নারী কর্মকর্তার প্রশংসা করছেন। জানা গেছে, এই নারী পুলিশ কর্মকর্তার নাম কে সিরিশা। তিনি অন্ধ্র প্রদেশের পালাসাতে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদে কর্মরত।

ভিডিওতে দেখা গেছে, কে সিরিশা খাটিয়ায় লাশ কাঁধে নিয়ে ধান ক্ষেতের মধ্য দিয়ে হেঁটে চলেছেন। তাকে সাহায্য করছিলেন আরেক ব্যক্তি। এই দুজনে মিলেই লাশ সৎকারের জায়গায় নিয়ে যান। এ সময় এক জনকে বলতে শোনা যায়, ম্যাডাম ছেড়ে দিন। কিন্তু সে দিকে কান না দিয়ে লাশ বহন করে নিয়ে যান তিনি। ওই ব্যক্তির শেষকৃত্যও সম্পন্ন করেন সিরিশা।

সিরিশার এমন কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছে অন্ধ্র প্রদেশ পুলিশ বিভাগ। এক টুইট বার্তায় ওই ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করেছে তারা। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, আশপাশের লোকজন বলছিলেন, ম্যাডাম, চলে যান। জবাবে কে সিরিশা বলছিলেন, সমস্যা নেই, সব ঠিক আছে। এই ঘটনার ছবি ও ভিডিও অনেক পুলিশের অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদরা শেয়ার করেছেন।

বিজেপির অন্ধ্র প্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুনীল দেওধর টুইটারে ভিডিওটি শেয়ার করে লিখেছেন, কে সিরিশাকে স্যালুট। তিনি জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন। জানা গেছে, মৃত ব্যক্তির নাম-পরিচয় অজানা ছিল। তাই স্থানীয় গ্রামবাসী ওই লাশের সৎকারে অংশ নিতে চায়নি। সূত্র: এনডিটিভি।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.