
বরোল্লে আরও জানান, তৃতীয় ধাপের নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এটি কার্যকর হবে। এবারের নিষেধাজ্ঞার আওতায় সামরিক সরকারের কর্মকর্তা এবং সেনাবাহিনীর অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করা প্রতিষ্ঠানকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সামরিক অভ্যুত্থানের পর এ পর্যন্ত মিয়ানমারের ২১ সামরিক কর্মকর্তার সম্পত্তি জব্দ, ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইইউ। একের পর এক নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া মিয়ানমারে বিনিয়োগ করা অনেক ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠান দেশটি থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে। জাকার্তায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপচারিতায় মিয়ানমারের সংঘাতময় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক উপায়ে স্বচ্ছ নির্বাচনের তাগিদ দিয়েছেন ইউরোপের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান।
মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরাতে উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে আসিয়ান সমালোচনার মুখে থাকলেও বোরেল্লে বলেছেন, জোটটি সম্ভাব্য ভালো কাজ করছে এবং এই লক্ষ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগে তাদের নেতৃত্ব দেওয়া উচিত।
গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থান ঘটিয়ে মিয়ানমারের শাসন নিজের হাতে নিয়ে নেয় টাটমাদাও বা বার্মিজ সেনা। স্টেট কাউন্সিলর আং সান সু চি-সহ আটক করা হয় নির্বাচিত সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের। এর পর থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। গণতন্ত্র ফেরানোর ডাক দিয়ে রাস্তায় নামে হাজার হাজার মানুষ। পাল্টা অভিযান শুরু করেছে সেনাবাহিনী। দিনে দিনে গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমার। সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে কয়েকশ’ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



