
ভারতজুড়ে প্রায় ৬০টি বিস্ফোরণ মামলায় নাম জড়িয়েছে আনসারির। ১৯৯৩ সালে মুম্বাইয়ের ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলা ছাড়াও ২০০৮ সালের জয়পুর বিস্ফোরণে তার নাম জড়িয়েছিল। রাজস্থানের আজমেরের কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের ছিলেন জলিস আনসারি। পরে তাকে আর্থার রোড জেলে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকেই তাকে প্যারোলের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। ২১ দিনের প্যারোলে ছাড়া পেয়ে তিনি মুম্বাই গিয়েছিলেন। প্যারোলে থাকাকালীন জালিস আনসারিকে অগড়িপাড়া পুলিশ স্টেশনে রোজ হাজিরা দিতে হত।
থানা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট সময়ে হাজির দিতে আসেননি আনসারি। এরপরই তার ছেলে নিখোঁজ ডায়েরি করে। তিনি জানান, ১৫ তারিখ বাড়িতে অশান্তি হয়েছিল। এরপর ১৪ তারিখ নামাজ পড়তে বেড়িয়ে আর ফিরে আসেনি আনসারি। এই খবর প্রকাশ হতেই বিতর্ক দানা বেঁধেছে। জানা গিয়েছে, রাজস্থান এক্সপ্রেসে বোমা রাখার অভিযোগে ১৯৯৪ সালে প্রথমবার ডাক্তার জলিসকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। তখন থেকে তিনি সংশোধনাগারে রয়েছেন।
জেল সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেল ৫টার মধ্যে আজমের জেলে ফেরার কথা ছিল আনসারির। সময়ের মধ্যে না ফিরলে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে বলেও খবর। মুম্বাই পুলিশের মুখপাত্র ডিসিপি প্রণয় অশোক বলেন, ‘৬৮ বছর বয়সী ডাক্তার মোহাম্মদ জলিস আনসারি একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে আজমের জেলে ছিলেন। সম্প্রতি তাকে আর্থার রোড জেলে নিয়ে আসা হয়। তারপর সে প্যারোলে ছিল। আমরা তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছি।’ সূত্র: টিওআই।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



