
হৃদয়সহ পাঁচ-সাতজন উত্তর-পূর্ব বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালা ভেঙে দ্বিতীয় তলায় ওঠেন। এরপর তাসলিমাকে প্রধান শিক্ষিকার রুম থেকে নিচে এনে পিটিয়ে হ’ত্যা করেন বলে হৃদয়ের বরাত দিয়ে ডিবির এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘ইদানীং লক্ষ্য করছি ফেসবুকে কেউ কেউ গুজব ছড়াচ্ছে। আমরা তাদের মনিটরিংয়ে রাখছি। কেউ গুজব ছড়ালে কিংবা সেই পোস্টে কেউ কমেন্ট করলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। গুজব ছড়ানোর পেছনে রাজনৈতিক কোনো লিংক আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



