
কিন্তু মাঝে সেই লকডাউন! টিউশন করে যেকটা টাকা আয় করতেন, তাও বন্ধ হয়ে যায় মেহেবুবের। ফলে টাকার অভাবে ভাড়া বাড়ি ছাড়তে হয়। বাধ্য হয়েই ফের বাবার দ্বারস্থ হন ছেলে। অভিযোগ, বাবা তাঁকে মারধর করেন। এমনকি পরনের পোশাকটুকুও খুলে নেনে যেহেতু সেটা নিজে কিনে দিয়েছিলেন।
সুমিতা নিজের বাপেরবাড়ি থেকে আনা গয়না ফেরত চাইলে শ্বশুর তাঁর স্বামীকে মারধর করে বলেও অভিযোগ। এরপর অসহায় স্বামী-স্ত্রী ১ জুলাই মন্দারমণি কোস্টাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিস গিয়ে দেখে মেহেবুবের বাড়িতে তালা ঝুলছে। তাঁর বাবা-মা বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন।
এখনও এই ঘটনার কোনও সুরাহা হয়নি। বাধ্য হয়েই পোস্টার হাতে রাস্তায় ধর্নায় বসেছেন অসহায় দম্পতি। পথচলতি সাধারণ মানুষ দেখছেন, আর প্রশ্ন করছেন, “বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ির ওপর অত্যাচারের খবর মেলে আখছার, কিন্তু বাবা-মা যে নিজের সন্তানের সঙ্গে এমনটা করতে পারে, তা তো আগে দেখিনি।”
সূত্র: বিডি২৪লাইভ
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



