
‘আমি মোটেই ভালো সাঁতার জানি না। তবে আর কোনও উপায় নেই। তবে পাঁচ জনের পরিবারে খাবার জোগাড় করতে হুগলি নদীতে ২ ঘণ্টা সাঁতার কেটে কাজে পৌঁছাই।’ বলছিলেন সঞ্জয়।
মাসিক ১০ হাজার রুপি বেতন তার। ছুটি নিলে ওই দিনের টাকা কাটা যায়। এমন অবস্থায় হুগলি নদীতে সাঁতার ছাড়া উপায় থাকে না সঞ্জয়ের কাছে। ‘মালিক বলেছেন, ছুটি নিলে টাকা কাটবে। আগে বোট পেয়ে যেতাম। লকডাউনে তা বন্ধ। তাই সাঁতরে কাজে পৌঁছাতে হচ্ছে।’
গোটা ঘটনা জানার পর সঞ্জয়ের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



