
গেল ৫ জুন তারহুনার হাসপাতাল মর্গে নারী ও শিশুসহ ১০৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের অধিকাংশের শরীরেই নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আর একটি হাসপাতাল থেকে ৩৭ জনের মরহেদ উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ১৪ জনের মরদেহ সনাক্ত করা সম্ভব হয়। এ ছাড়া কোয়াসর বিন ঘাশির এলাকায় আরো ১৫টি মরদেহ পাওয়া যায়। সেনাবাহিনীর মতে যাদেরকে যুদ্ধবাজ হাফতার বাহিনী কিডন্যাপ করে এবং পরবর্তীতে হত্যা করে।
৬ জুন দক্ষিণ ত্রিপোলি থেকে আরো ১৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ৮ থেকে ১০ জুনের মধ্যে তারহুনার বিভিন্ন গণকবর ও কূপ থেকে ১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ১১ জুন দেশটির সেনাবাহিনী গণকবর থেকে আরো ৩টি মরদেহ উদ্ধার করে।
রাজধানী ত্রিপোলি থেকে ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত তারহুনা অঞ্চলটি হাফতার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। তারা জাতিসংঘ সমর্থিত লিবিয়ার সরকারকে উচ্ছেদ করতে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। সম্প্রতি তাদের হটিয়ে ওই অঞ্চলটি দখলে নিয়েছে লিবিয়ার সেনাবাহিনী। এরপর থেকেই বিভিন্ন স্থানে মৃতদেহ ও গণকবরের সন্ধান মিলতে শুরু করেছে।
জাতিসংঘ সমর্থিত লিবিয়ার সরকারের দাবি অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত হাফতার বাহিনী বিভিন্ন সহিংসতায় কমপক্ষে ১ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।
উল্লেখ্য, গেল ২৮ মে লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের মিজদাহ শহরে অপহরণকারীদের গুলিতে নিহত হয়েছিল ২৬ জন বাংলাদেশিসহ ৩০ জন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



