
আজ শুক্রবার বিকালে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়নায় এক নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি এসব কথা বলেন।
মমতা বলেন, ‘দেশকে যিনি ভালোবাসেন তাকে দেশের নেতা মানায়। আর এরা কেমন নেতা? সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ), জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) এর নাম করে দেশ থেকে সকলকে তাড়িয়ে দেবে। জাতি, ধর্ম, মানুষ, সবকিছু বিক্রি করে দিয়েছে, এখন কেবল সংবিধান আর দেশকে বিক্রি করার পালা। এবারে জিতলে একমাত্র উনিই থাকবেন। দেশ থাকবে না, মানুষও থাকবে না। কোনো নির্বাচনও হবে না।’
বিজেপিকে লুটেরা, ভাওতাবাজ আখ্যায়িত করে তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান বলেন, ‘ভোটের আগে বলেছিল ১৫ লাখ রুপি করে দেবে কিন্তু কারো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫০ হাজার রুপিও ঢোকেনি। গত কয়েক বছর ধরে রেশনও আমরাই দিচ্ছি, অথচ কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি তারাই রেশন দিচ্ছে।’
রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চাকরি যাওয়া যোগ্য শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানোর যে বার্তা মোদি এদিন দিয়েছেন তা নিয়ে উল্টে মোদিকেই নিশানা করে মমতা বলেন, ‘আজকে ভোট পাওয়ার দরকার তাই এতদিন পরে রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলছে। মোদি বাবু এতদিন কোথায় ছিলেন? মমতার অভিযোগ বিজেপি এবং সিপিআইএম মিলে ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি খেয়েছে। আপনার কোনো প্রয়োজন নেই। ওরা সাপের মুখেও চুমু খাবে, ব্যাঙের মুখেও চুমু খাবে। চাকরি কেড়ে নেবে আবার বড় বড় কথা বলবে। আমরা দিল্লির ভিক্ষা চাই না।’
উল্লেখ্য, ভারতের সাত দফার নির্বাচনের ইতোমধ্যেই দুই দফার ভোটগ্রহণ হয়েছে। বাকি রয়েছে এখনো পাঁচ দফা। আগামী ৭ মে তৃতীয় দফায় নির্বাচন। গোটা ভারতে এই দফায় ভোট নেওয়া হবে ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত ৯৪টি কেন্দ্রে। যার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের চার কেন্দ্র- মালদহ উত্তর, মালদহ দক্ষিণ, জঙ্গিপুর এবং মুর্শিদাবাদ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



