রমজান মাসে ইফতারের টেবিলে খেজুর একটি অপরিহার্য খাবার। দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর শরীরের ক্লান্তি দূর করতে এবং পুষ্টির চাহিদা মেটাতে খেজুরের জুড়ি নেই। শুধু ধর্মীয় ঐতিহ্যই নয়, আধুনিক বিজ্ঞানও ইফতারে খেজুর খাওয়ার বিশেষ গুরুত্বের কথা বলছে। চলুন, জেনে নিই।

শরীরে দ্রুত শক্তির জোগান দেয়
সারা দিন না খেয়ে থাকার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা রক্তে শর্করার ভারসাম্য দ্রুত ফিরিয়ে আনে। এতে থাকা জটিল কার্বোহাইড্রেট শরীরের হঠাৎ সুগার বেড়ে যাওয়া রোধ করে দীর্ঘক্ষণ শক্তি সরবরাহ বজায় রাখে।
পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল
খেজুরে রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৬, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে রয়েছে। রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে এমন আয়রন বা লোহা পাওয়া যায় খেজুরে। পটাসিয়াম রয়েছে, যা দেহকোষের তরল ভারসাম্য ঠিক রাখে।
পানিশূন্যতা রোধে সাহায্য করে
অনেকেই মনে করেন, শুকনো ফল শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে? কিন্তু খেজুরের ক্ষেত্রে বিষয়টি উল্টো।
আরও পড়ুনঃ
খেজুরে থাকা পটাসিয়াম শরীরের কোষে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাই ইফতারে পানির সঙ্গে খেজুর খেলে শরীরের শক্তির পাশাপাশি পানির ভারসাম্যও বজায় থাকে।
সূত্র : বিরুনি ইউনিভার্সিটি হসপিটাল
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


