গ্রামের অধিকাংশ বাচ্চাই বাড়ি থেকে টিফিন নিয়ে আসে না। অনেকের বেশি টাকা দিয়ে হোটেলে দুপুরের খাবার কিনে খাওয়ার মতো সামর্থ্যও নেই। তারা টিফিনের সময় মুখরোচক কিছু একটা কিনে খায়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অথচ দুপুরে এক প্লেট ভাত খেলে শরীর ভালো থাকে। জানা যায়, এই চিন্তা থেকেই বাবার অগোচরে ৫ বছর আগেই তিনি এই প্যাকেজ চালু করেন। তখন থেকেই বাচ্চারা খেতে আসতে শুরু করে। তার বাবা বিষয়টি ২ বছর পর জানতে পারেন। তবে তিনি এতে বাধা দেননি।
বিপ্লব সরকার শিক্ষার্থীদের জন্য ভাতের সঙ্গে সবজি আর ডাল দিয়ে প্যাকেজটি তৈরি করেছেন। খাবার সময় তিনি খেয়াল করেন, কোনো বাচ্চা যেন সবজি নষ্ট না করে। শরীরের জন্য সবজির বড় প্রয়োজন। তিনি তাদের সবজি খেতে বাধ্য করেন। টমেটোর মৌসুমে টমেটোর সালাদ খেতে বাধ্য করেন। খেতে বসে কোনো বাচ্চা যদি বেশি টাকা দিয়ে মুরগির মাংস খেতে চায়, তাহলে তিনি পাশের বাচ্চাটাকেও ছোট এক টুকরা মুরগির মাংস ও একটু ঝোল দেন। যাতে তার মন খারাপ না হয়।
আড়ানী মনোমোহিনী সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার এই ৫ টাকার প্যাকেজ সম্পর্কে বলেন, তিনি তার স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শোনার পরে একদিন দেখতে গিয়েছিলেন। তিনি দেখে অবাক হয়েছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।




