
কিন্তু ঘটনার কয়েক মাস পর আত্মহত্যার রহস্য উদঘাটন হয়েছে। ভারতের আহমেদাবাদের বাসিন্দা নিখিলকে জোর করে নিজের ২৫ বছর বয়সী স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করেন বস। পরে মানসিক চাপেই শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করেন নিখিল।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের অক্টোবরে আহমেদাবাদে একটি কাজে যোগ দেন নিখিল। ১০ মাস কাজ করার পর নিখিল তার বাড়িতে জানান, এই চাকরি তার পক্ষে আর বেশিদিন করা সম্ভব নয়।
অফিসের বস ও তার স্ত্রী যৌথভাবে তার ওপর মানসিক অত্যাচার চালাচ্ছেন। তখন তার বাবা বলেছিলেন, চাকরি ছেড়ে দিতে। সেই মতো নিখিল চাকরি ছেড়ে দেন। কিন্তু তখন তার বেশ কয়েক মাসের বেতন আটকে দেওয়া হয়।
জুলাই মাসের ১৫ তারিখ নিখিলকে অফিসে ডেকে পাঠানো হয় পাওনা টাকা নেওয়ার জন্য। এরপর ২০ জুলাই নিখিলের বাড়িতে ফোন করে বলা হয় তিনি আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু ১৫ তারিখ টাকা নিতে এসে নিখিল তার বাবাকে জানিয়েছিলেন, বস তাকে জোর করে একটি কাজে রাজস্থান পাঠাচ্ছেন।
ঘটনার পর কেটে গেছে চার-পাঁচ মাস। হঠাৎ করেই নিখিলের ফোন ঘাঁটতে গিয়ে কিছু কথোপকথন চোখে পড়ে তার ভাই-বোনের। সেখানে থেকেই তারা বুঝতে পারে, নিখিলকে জোর করে নিজের ২৫ বছরের স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করেন বস।
কিন্তু এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে বসের তরুণী স্ত্রী বাধা দেন। আর তার স্বামী নিখিলের বেশ কয়েক মাসের বেতন আটকে দেন।
পরে নিখিল তার বসকে একটি এসএমএস করে জানান, ‘আমাকে আপনার আশ্রিত ভাববেন না। কোনো টাকা চাই না। ক্ষমা করবেন।’
এরপর নিখিলের ওপর স্বামী-স্ত্রী শারীরিক নির্যাতন চালায়। মানসিক চাপেই শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করেন নিখিল। এ ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তের পর আহমেদাবাদ পুলিশ ৪৫ বছর বয়সী সংস্থার কর্ণধার ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



