
শনিবার দুপুরে যশোর পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য দেন পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহউদ্দিন শিকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম রব্বানি ও ডিবির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
টক শাহাদৎ ওই গ্রামের মৃত লতিফ মাস্টারের ছেলে। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা চারটি মোবাইল ফোন আটটি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।
ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, ২০১৩ সাল থেকে শাহদৎ হোসেন বিভিন্ন জেলায় সচিব ও পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রতারণা করে এবং সাধারণ মানুষকে চাকরি দেয়ার কথা বলে অর্থ হাতিয়ে আসছেন। এই তথ্য যশোর জেলা পুলিশের নজরে এলে কোতয়ালী থানায় একটি জিডি করা হয়। এরপর ডিবির এসআই মফিজুল ইসলাম মিথ্যা পরিচয়দানকারী শাহাদৎ হোসেনকে শনাক্ত করেন এবং ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ওসি সোমেন দাসের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাদের শেরপুর থেকে আটক করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



