
হাসপাতাল সূত্রে বলা হয়েছে যে, প্রিয়াংশী-কে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল, মাথায় অক্ষত অবস্থাতেই ছিল ওই কুকারটি। অর্থোপেডিক থেকে পেড্রিয়েটিক সমস্ত দফতরের ডাক্তারেরা একত্র হন একরত্তিকে বাঁচানোর প্রচেষ্টায়। পরে হাসপাতালেই এক ড্রিল মিস্ত্রী প্রেসার কুকার কেটে, ছোট্ট প্রিয়াংশীর মাথা বের করেন সেখান থেকে।
স্যার টি হাসপাতালের প্রশাসক হার্দিক গাথানির কথায়, শেষ পর্যন্ত আমাদের ডেকে পাঠাতে হয় এমন এক ব্যক্তিকে, যিনি বাসনপত্র নিয়ে কাজ করেন। তিনিই শিশুটির মাথা থেকে কেটে বের করেন ওই কুকার। তবে ওই শিশুর বাড়ির লোকেরা জানিয়েছেন যে, তাঁরাও বাচ্চাটির মাথা থেকে প্রেসার কুকার বের করার অনেক চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে আখেরে লাভের লাভ কিছুই হয়নি। বরং হিতের বিপরীত হয়ে চোট পায় ছোট্ট শিশুটি।
এই মুহূর্তে বিপদমুক্ত এক বছরের প্রিয়াংশী। হাসপাতালের প্রশাসক জানান, মেয়েটির মাথায় অল্পবিস্তর চোট লেগেছে। তবে গুরুতর নয়। রক্ত চলাচল ঠিক রয়েছে কি না, সে দিকটা নিশ্চিত করার জন্য প্রিয়াংশীকে আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। সব কিছু যদি ঠিক থাকে তাহলে খুব শীঘ্রই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে প্রিয়াংশীকে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



