জুমবাংলা ডেস্ক : রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের ৪৩ বছর পর এবার বিএনপির উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপন ও এ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতাদের নানাবিধ বিতর্কিত মন্তব্যে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে রাজনৈতিক অঙ্গনে।
বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, ঐতিহাসিক বাস্তবতা স্বীকার করেই দিবসটি উদযাপন করেছে দলটি। এরপরও নেতাদের তীর্যক মন্তব্যে দিবসটি উদযাপনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে।
স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে শনিবার (১৩ মার্চ) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে স্বেচ্ছায় রক্তদান, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ৭ মার্চ উদযাপনের উদ্দেশ্য পরিষ্কার করেন মির্জা ফখরুল।
এসময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘৭ মার্চের ভাষণ তো একটা ইতিহাস। এটাকে অস্বীকার করারও তো কোনো উপায় নেই। আমরা বলেছি যে, ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতা আসে নাই। যুদ্ধের সময় সমগ্র জাতিকে একটা হতাশা থেকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউর রহমান যে ঘোষণা দিয়েছিল, আমরা সেই ঘোষণাকে সামনে তুলে আনতে চেয়েছিলাম।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমানকে নিয়ে মিথ্যাচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘ইতিহাসকে বিকৃত করে আজকে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করতে চাই। কিন্তু এটা সত্যি কোনোদিন কোনো ব্যক্তি বা দলগোষ্ঠী ইতিহাস রচনা করতে পারে নাই।’
উদ্বোধনী ঘোষণার পর ফ্রি মেকিকেল ক্যাম্প পরিদর্শন করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


