
গতকাল সকালে ট্যুইট করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ বলেন, ‘সরকার শাহীনবাগের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে এই আলোচনা গঠনমূলক পদ্ধতিতে হতে হবে। নরেন্দ্র মোদি সরকার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে সিএএ সম্পর্কে তাদের মনের যাবতীয় ভয় ও সংশয় দূর করতে চায়।’ দিল্লির ওখলা লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত শাহীনবাগ বর্তমানে সিএএ ও এনআরসি বিরোধিতার মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার আম আদমি পার্টি অভিযোগ করে যে, আগামীকাল রোববার শাহীনবাগে বড় গোলমাল বাধানোর পরিকল্পনা করছে বিজেপি। এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির নির্বাচনের জন্য মিডিয়া ইনচার্জ অশোক গয়াল। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এক সুরে কথা বলছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
প্রায় দু’মাস ধরে দিল্লির শাহীনবাগে চলছে নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভ। কয়েকশ’ মহিলা দিল্লির প্রচন্ড ঠান্ডাকে উপেক্ষা করে অবস্থান করছেন সেখানে। অনেকের সঙ্গে আছে তাদের বাচ্চারা। এর আগে বিজেপির নেতা-মন্ত্রীরা তাঁদের ‘মিনি পাকিস্তান’, ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ বলেছেন। কিন্তু দিল্লি ভোটের যখন মাত্র এক সপ্তাহ বাকি, তখন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ দেখাল মোদি সরকার।
এর আগে রবিশংকর প্রসাদ বলেছিলেন, দিল্লির শাহীনবাগে যারা নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তারা ‘শান্তিপ্রিয় সংখ্যাগরিষ্ঠের’ মতামত চাপা দিতে চান। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে আইনমন্ত্রীর অভিযোগ, তারা ওই গ্যাং-এর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার কথায়, কীভাবে মাত্র কয়েকশ জন মিলে শান্তিপ্রিয় সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত চাপা দিতে পারে, শাহীনবাগ তার আদর্শ দৃষ্টান্ত।
দিল্লিতে ভোটের প্রচারে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘৮ ফেব্রুয়ারি যখন ভোট দেবেন তখন এমন জোরে (ভোটযন্ত্রের) বোতাম টিপুন যাতে বাবরপুরে বোতাম টিপলে তার ধাক্কা গিয়ে লাগে শাহীনবাগে।’ দিল্লির বাবরপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের প্রচারে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘বিজেপি প্রার্থীকে আপনি ভোট দিলে তা দিল্লি তো বটেই পুরো দেশকে সুরক্ষিত করবে এবং শাহীনবাগের মতো শত শত ঘটনা প্রতিহত করবে।’ সূত্র : টিওআই।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



