জুমবাংলা ডেস্ক : মহামারী করোনাভাইরাসে সংকটময় পরিস্থিতিতে ঋণের জন্য আবেদনকারী আইনজীবী সদস্যকে সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা ঋণ দেবে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি।
োএই ঋণ গ্রহণকারী সদস্যদের পাঁচ কিস্তিতে ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সমুদয় অর্থ পরিশোধ করতে হবে। ব্যর্থ হলে সদস্যপদ স্থগিত করা হবে।
গত ৩ মে সু্প্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়, ২০০০ সাল বা তার আগে সমিতিতে তালিকাভুক্ত সদস্যদেরকে এককালীন ৭৫ হাজার টাকা ঋণ দেয়া হবে। এছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত অন্তর্ভূক্ত সদস্যদের ৫০
হাজার টাকা, ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকা এবং ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তালিকাভুক্ত সদস্যদের এককালীন ৩০
হাজার টাকা সুদমুক্ত ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ঋণ গ্রহণকারী সদস্যরা ৫ কিস্তিতে (২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত) ডিসেম্বর ও জুন মাসের প্রদেয় চাঁদার সঙ্গে ঋণ শোধ করবেন। প্রথম কিস্তি ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রদত্ত মোট ঋণের উপর ৯ শতাংশ হারে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে।
২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ তিনটি কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে তিনি ২০২২ সালের অনুষ্ঠিতব্য সমিতির নির্বাচনে ভোটার হতে পারবেন না। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সমুদয় অর্থ পরিশোধ করা না হলে তার সদস্য পদ স্থগিত করা হবে।
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে নিজেদের সদস্যদের ঋণ দেয়ার জন্য ১৫ এপ্রিল সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। এ আবেদনের সময়সীমা ছিল ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রায় ৮ হাজার সদস্যের মধ্যে দুই হাজার ৮শ’ সদস্য এ ঋণের জন্য আবেদন করেন।
৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় ২৬ মার্চ থেকে সরকারি ছুটির সঙ্গে মিল রেখে আদালত অঙ্গনও বন্ধ রয়েছে। কেবল জরুরি প্রয়োজনে প্রত্যেক জেলায় একটি করে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট খোলা রয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


