
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক র্যাব বর্তমানে কাতারে অবস্থান করছেন। বৃহস্পতিবার দেশটির আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি আফগান পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
পাঠকদের মনে প্রশ্ন উঠতে পারে, আফগানিস্তান পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেন কাতার সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে? আফগানিস্তানের সঙ্গে কাতারের কী সম্পর্ক?
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে কাতার প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। তালেবানের সঙ্গে কাতারের দীর্ঘ দিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তালেবানের যে সমঝোতা হয়েছে সেটারও মধ্যস্থতা করেছে কাতার।
চলতি মাসের শুরুতে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লৌয়াহ আলখাতর টুইটারে বিশ্ব শক্তির করা প্রশংসা সম্বলিত একটি লেখা রিটুইট করেন। যাতে লেখা ছিল- সংঘাতে কাতার বিশ্বস্ত মধ্যস্থকারীর ভূমিকা পালন অব্যাহত রেখেছে।
বিবিসির খবরে আরও বলা হয়েছে ছোট গ্যাস সমৃদ্ধ দেশ কাতার আফগানিস্তান থেকে যেসব দেশ দূতাবাস বন্ধ করেছে তাদের ত্রাণকর্তা (যোগাযোগের একমাত্র উপায়) হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের সিনিয়র উপদেষ্টা ‘ডিনা এসফানডিয়ারি’ বলেন, তালেবান কাবুল দখল করার পর আফগানিস্তান থেকে কাতারের সহযোগিতা ছাড়া ব্যাপক সংখ্যক মানুষকে কোনো দেশ সরিয়ে নিতে পারত না। অর্থাৎ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সরিয়ে নিতে কাতার অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


