
আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বুধবার আঘাত হানার পর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত, এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা থেকে মোট ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বেশিরভাগের মৃত্যু হয়েছে বাড়িতে গাছ, বৈদ্যুতিক খুটি উপড়ে পড়ার মাধ্যমে। এই সংখ্যা বাড়তেও পারে।
কলকাতার পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার হওয়া ১৯টি মরদেহের মধ্যে ১৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। বাকি চারটি মরদেহের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। পুলিশ সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার বলছে, তাদের প্রত্যেকেরই অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটেছে।
কলকাতার পর্ণশ্রী থানাধীন এলাকা থেকে মিলেছে পাঁচ জনের মরদেহ। এছাড়া বেনিয়াপুকুর তিন ও গিরিশ পার্ক থানায় মারা গেছে দুইজন। ভবানীপুর থানা এলাকা ও রিজেন্ট পার্ক থানা এলাকায় আরও দুজনের করে মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
এছাড়া কলকাতার তালতলা, কড়েয়া, পার্ক স্ট্রিট, মানিকতলা, ওয়াটগঞ্জ থানা এলাকা থেকেও একটি করে মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। রিজেন্ট পার্কে দেয়াল চাপা পড়ে এক নারী ও তার ছেলের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া প্রতিটি মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আম্ফানের জেরে রাজ্যে মোট ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আম্ফানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক লাখ কোটি রুপি বলে জানিয়েছেন তিনি। আগামীকাল রাজ্যে দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



