
আজ শনিবার কেএসআরএম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রোববার বিকেল চারটায় জাহাজটি আল–হামরিয়া বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পরদিন সোমবার কয়লা খালাসের জন্য জাহাজটিকে জেটিতে ভেড়ানো হবে।
এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের মাস্টার ক্যাপ্টেন মো. আবদুর রশিদ আজ রাত ১০টায় বলেন, ‘এখন আমরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা উপকূল অতিক্রম করছি।’
কেএসআরএম গ্রুপ জানিয়েছে, জাহাজটি আল-হামরিয়া বন্দরে পৌঁছানোর পর দুজন নাবিক উড়োজাহাজে করে দেশে ফেরবেন। আর বাকি ২১ জন নাবিক ওই জাহাজে করেই দেশে ফেরবেন, এখন পর্যন্ত এমটাই কথা রয়েছে।
গত ১২ মার্চ মোজাম্বিকের মাপুতো বন্দর থেকে আরব আমিরাতের আল–হামরিয়া বন্দরে যাওয়ার পথে ভারত মহাসাগর থেকে ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশি জাহাজটি ছিনতাই করে সোমালিয়ার জলদস্যুরা। এরপর তারা জাহাজটি সোমালিয়া উপকূলে নিয়ে যায়। প্রায় ৩৩ দিনের জিম্মিদশার পর ১৩ এপ্রিল ছাড়া পায় নাবিকসহ এমভি আবদুল্লাহ। মুক্ত হওয়ার পরই জাহাজটি ১ হাজার ৪৫০ নটিক্যাল মাইল দূরে থাকা আরব আমিরাতের আল–হামরিয়া বন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



