
গত ৮৬ বছর ধরে মসজিদের পরিবর্তে এটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর আগে গত ১০ জুলাই আদালতের এক রায়ের মাধ্যমে এটিকে পুনরায় মসজিদে রূপান্তরের ঐতিহাসিক রায় দেন দেশটির আদালত।
দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রধান আলি ইরবাস কুরআন শিক্ষা চালু প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, আমি আশা করি, অনেক লোক এ মসজিদে নামাজ পড়বেন। তারা তাদের ধর্ম এখান থেকে শিখবেন। আমরা আয়া সোফিয়ায় পুনরায় মাদ্রাসাও চালু করব। যেভাবে আয়া সোফিয়ার প্রতিটি কোনে কোনে এক সময় কুরআন শেখানো হতো, এখন আবার আয়া সোফিয়ায় কুরআন শেখানো হবে।
ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়া তুরস্কের ও বিদেশি পর্যটকদের জন্য অন্যতম পছন্দের জায়গা। ১৯৮৫ সালে আয়া সোফিয়াকে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ লিস্টে যুক্ত করা হয়। প্রত্মতাত্ত্বিক ঐতিহ্য হিসেবে স্থাপনাটি আগের মতো পর্যটকদের জন্য বিনামূল্যে উন্মুক্ত থাকবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



