
বৃহস্পিতিবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে শীর্ষ বৈঠকের পর এ হুঁশিয়ারি দেন ইউরোপীয় নেতারা। তারা বলেন, রাশিয়া ইউক্রেনে আগ্রাসন চালালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনও যেন মস্কোর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
ইইউ’র নেতারা তাদের বক্তব্যের সমর্থনে দাবি করেন, রাশিয়া ইউক্রেন সীমান্তে যেভাবে সামরিক প্রস্তুতি নিয়েছে তার অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে না। তবে পশ্চিমা দেশগুলোর এ ধরনের অভিযোগ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাশিয়া এই বলে প্রত্যাখ্যান করে এসেছে যে, নিজ দেশের যেকোনো স্থানে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের অধিকার মস্কোর রয়েছে।
২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপত্যকায় অনুষ্ঠিত এক গণভোটের জের ধরে ওই উপত্যকাকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করে নেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলো তখনই রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। আমেরিকা ও ইইউ’র সমর্থনপুষ্ট ইউক্রেন সরকার ওই গণভোটের ফলাফল মেনে নিতে অস্বীকার করে।তখন থেকে ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কে টানটান উত্তেজনা চলে এসেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



