Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইন্দোনেশিয়ার সুলায়েসি দ্বীপে শুক্রবারের ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে ৬৩৭ জন। উপদ্রুত এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দফতরের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি।

স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ওই কম্পনটি আঘাত হানে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিলো মাজেনে শহর থেকে ছয় কিলোমিটার উত্তরপূর্বে ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।

প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ভলকানো-র ওপর অবস্থিত ইন্দোনেশিয়া। অর্থাৎ,ভৌগোলিক কারণেই ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। প্রায়ই দেশটিতে বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানে। আর তাতে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়।

শুক্রবার সকালে সুলায়েসি দ্বীপের ভূমিকম্পে মাজেনে শহরের উত্তরাঞ্চলে একটি হাসপাতালের ভবন ধসে পড়ে ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকা পড়ে বহু রোগী ও হাসপাতাল কর্মী। আরিয়ান্তো নামের এক উদ্ধারকর্মী জানান, ‘হাসপাতালটি ভেঙে পড়েছে আর রোগী ও কর্মীরা আটকা পড়েছে। আমরা তাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি।’

মামুজুর দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার প্রধান আলি রহমান বলেন, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে কিন্তু প্রার্থনা করছি তা যেন না হয়। মারা যাওয়া বহু মানুষ ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়েছে।

ভূমিকম্প ও আফটার শকের কারণে তিনটি ভূমিধস হয়েছে। এর কারণে মাকাসার শহরের মতো আঞ্চলিক হাবগুলো বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, সেখানে যাওয়ার সেতুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পে ৬০টি আবাসিক ভবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া দুটি হোটেল, প্রাদেশিক গভর্নরের অফিস, শপিং মলেরও ক্ষতি হয়েছে। ভূমিকম্পের জেরে মামুজুতে ভেঙে পড়েছে হাসপাতাল। ধ্বংসাবশেষের নিচে আটকে পড়েছে অনেকে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.