
মূলত চলমান সংঘাতের ৩০তম দিনে এসে ইরান যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কাছ থেকে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ ক্ষতিপূরণ দাবি করছে, ঠিক তখনই পাল্টা এই অবস্থান নিল আমিরাত।
ইরানের কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই নেই, চাইলেই খারগ দখল করতে পারি: ট্রাম্প
আনোয়ার গারগাশ তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের এই আগ্রাসন বন্ধে যেকোনো রাজনৈতিক সমাধানের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধের স্পষ্ট গ্যারান্টি থাকতে হবে। সেইসঙ্গে আক্রমণ না করার নীতির পাশাপাশি বেসামরিক জনগণ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলার জন্য ইরানকে অবশ্যই যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
আমিরাতি এই শীর্ষ কর্মকর্তা আরও অভিযোগ করেন, যুদ্ধ শুরুর আগে তেহরান তার প্রতিবেশীদের ‘বিভ্রান্ত’ করেছিল এবং অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই আগ্রাসন চালিয়েছে। বর্তমানে ইরানকে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্য ‘প্রধান হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করে আমিরাত সরকার তাদের কঠোর অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছে।
সূত্র: সিএনএন
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



