
এতে আরও বলা হয়, লেবাননে অবস্থানরত যেসব মার্কিন নাগরিক দেশটি ত্যাগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তারা যেন জরুরি পরিস্থিতির জন্য বিকল্প পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখেন এবং সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে সংবাদ পর্যবেক্ষণ করেন।
মার্কিন মিশন সতর্ক করে জানায়, ‘লেবাননজুড়ে সন্ত্রাসবাদ ও অপহরণের ঝুঁকি রয়েছে।’
দূতাবাস আরও জানায়, বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন নাগরিক ও পর্যটকদের নিয়মিত যাতায়াত করা স্থানগুলো ‘হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে’। একই সঙ্গে মার্কিন নাগরিকদের বিক্ষোভ ও বড় জনসমাগম এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) ইসরায়েলি বাহিনী ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনার পর এই বিবৃতি দেয়া হয়। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) শুরু হওয়া লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলমান থাকা সত্ত্বেও ক্রমশ উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য ছিল লেবাননে ইসরায়েলের হামলা পুরোপুরি বন্ধ করা। তবে যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। সবশেষ বুধবার লেবাননে আত-তিরি এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় এক নারী সাংবাদিকসহ অন্তত পাঁচজন নিহত হন।
গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে লেবাননে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২৯৪ জন নিহত, ৭ হাজার ৫৪৪ জন আহত এবং ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে লেবানন ছাড়ার ইঙ্গিত নতুন উত্তেজনার আভাস দিচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



