যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনই সবচেয়ে ভালো সমাধান।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘৭ বছর ধরে তারা শুধু কথাই বলে যাচ্ছে। এর মধ্যে আমরা অনেক প্রাণ হারিয়েছি।
যদিও তেহরানের শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তনের পর নতুন করে কাকে দেখতে চান- এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি ট্রাম্প। তিনি বলেন, সেখানে এমন মানুষ আছেন যারা নেতৃত্ব নিতে পারেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাননি।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করার পরিকল্পনায় অনড় রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলা সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
বিশ্বের বৃহত্তম ও যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড খুব শিগগিরই ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে বলে জানান ট্রাম্প।
৪০ কেন্দ্রের ফলাফল জালিয়াতির অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর, চান পুনর্গণনা
ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন, তবে সেখানে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের শিরোনাম হলো ‘মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি প্রস্তুত করছে পেন্টাগন।’
গত জানুয়ারিতে ইরানে সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভ দমন বন্ধ না করলে হামলার হুমকি দেয়ার পর পেন্টাগন একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠায়। ওই বিক্ষোভে হাজারো মানুষ নিহত হয়।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ইরানে ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়, যার নেতৃত্বে আছেন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


