
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে গত ৪০ বছর ধরে আটক ইরানের হাজার হাজার কোটি ডলারের সম্পদ কিংবা ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে প্রাপ্ত অর্থ থেকে ওই ১৮ কোটি ডলার কেটে নিয়ে তা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গুপ্তচরবৃত্তি, শত্রু সরকারকে সহযোগিতা করা, গোপন তথ্য সংগ্রহ এবং ইরানবিরোধী অপপ্রচারের দায়ে ২০১৪ সালের ২২ জুলাই জ্যাসন রেজায়িয়ানকে ইরানে আটক করা হয়। ২০১৫ সালে ইরানের বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
৫৪৪ দিন ইরানের কারাগারে বন্দি ছিলেন জ্যাসন রেজায়িয়ান। পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার দিন অর্থাৎ ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি রেজায়িয়ানকে ইরানের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রে আটক সাত ইরানি নাগরিকের মুক্তির বিনিময়ে রেজায়িয়ানের সঙ্গে আরও তিন মার্কিন বন্দিকে ছেড়ে দেয় তেহরান।
১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের সময় যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের সাবেক শাহ সরকারের হাজার হাজার কোটি ডলারের সম্পদ ছিল। পরে তা তেহরানকে ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায় ওয়াশিংটন। মূলত ওই সম্পদ থেকেই অর্থ কেটে রাখার নির্দেশ দিলেন আদালত।
ইরানের কারাগারে কিভাবে নির্ঘুম রাত কেটেছে রেজায়িয়ানের; রায়ে তার বিবরণ তুলে ধরেন বিচারক রিচার্ড জে লিওন। ইরানি কর্তৃপক্ষ তাকে ঘুম ও স্বাস্থ্যসেবার মতো জরুরি বিষয়গুলো থেকেও বঞ্চিত করেছে। এমনকি তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সূত্র: টাইম।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



