Close Menu
iNews
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • স্বাস্থ্য
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ইতিহাস
    • ক্যাম্পাস
    • ক্যারিয়ার ভাবনা
    • Jobs
    • লাইফ হ্যাকস
    • জমিজমা সংক্রান্ত
Facebook X (Twitter) Instagram
iNews
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • স্বাস্থ্য
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ইতিহাস
    • ক্যাম্পাস
    • ক্যারিয়ার ভাবনা
    • Jobs
    • লাইফ হ্যাকস
    • জমিজমা সংক্রান্ত
iNews
Home ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইসলামিক উপদেশ: সুস্থ জীবন
ইসলাম ও জীবন

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইসলামিক উপদেশ: সুস্থ জীবন

By Md EliasAugust 17, 202512 Mins Read

গভীর রাতে, ঢাকার মিরপুরের এক ছোট্ট ফ্ল্যাটে, মোহাম্মদ আলী নামের এক প্রবীণ ব্যক্তি ক্লান্ত দৃষ্টিতে রক্তে শর্করার মিটারটির দিকে তাকালেন। স্ক্রিনে জ্বলজ্বল করছে ২৮০ mg/dL। হৃদয়টা ধুকপুক করছে। একটু আগে ইফতারের সময় বাসার রান্নার সেই মজাদার তেলেভাজা আর মিষ্টির স্বাদ এখন গলায় কাঁটা হয়ে বসেছে। দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস, বারবার ওষুধের মাত্রা বাড়ানোর পরও নিয়ন্ত্রণে আসছে না। মনে পড়ে গেল গত জুমার খুতবায় ইমাম সাহেবের কথা – “আল্লাহর দেওয়া দেহের আমানতের খেয়াল রাখা ঈমানের দাবি।” হঠাৎ প্রশ্ন জাগলো, শুধু ওষুধেই কি মুক্তি? নাকি ধর্মের দেয়া সেই ইসলামিক উপদেশ গুলোই হতে পারে তার হারানো সুস্থতার চাবিকাঠি?

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইসলামিক উপদেশ

  • ইসলামিক উপদেশ: ডায়াবেটিস মোকাবেলায় ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যবহারিক রূপরেখা
  • হালাল খাদ্যাভ্যাস থেকে আত্মিক সুস্থতা: প্রতিটি পদক্ষেপে ইসলামিক উপদেশের প্রতিফলন
  • বাস্তব জীবনে প্রয়োগ: চ্যালেঞ্জ ও সমাধান
  • চিকিৎসক ও ধর্মীয় নেতার ভূমিকা: সমন্বিত প্রচেষ্টা
  • জেনে রাখুন

বাংলাদেশে আজ ডায়াবেটিস এক মহামারীর নাম। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ এই অসংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত, যার একটি বড় অংশই টাইপ-২ ডায়াবেটিস। শহর থেকে গ্রামে, অফিস থেকে মসজিদে – ডায়াবেটিস এখন সবার চিন্তার বিষয়। চিকিৎসাবিজ্ঞান যেমন এর মোকাবিলায় নানান পথ দেখায়, তেমনি ইসলাম ধর্মও দেয় জীবনযাপনের সুস্পষ্ট ও ভারসাম্যপূর্ণ নির্দেশনা, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে শুধু কার্যকরই নয়, বরং আত্মিক প্রশান্তিরও উৎস। এই নির্দেশনাগুলোই, এই ইসলামিক উপদেশ গুলোই, হতে পারে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সুস্থতার জন্য এক শক্তিশালী হাতিয়ার।

ইসলামিক উপদেশ: ডায়াবেটিস মোকাবেলায় ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যবহারিক রূপরেখা

ইসলাম কেবলমাত্র আধ্যাত্মিকতার ধর্ম নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে দৈহিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতার প্রতি গভীর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “প্রবল মুমিন আল্লাহর নিকট দুর্বল মুমিন অপেক্ষা অধিক উত্তম ও প্রিয়।” (সহীহ মুসলিম)। এখানে ‘প্রবল’ বলতে শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক থেকেই সক্ষমতাকে বোঝানো হয়েছে। ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘমেয়াদী রোগের ক্ষেত্রে এই ইসলামিক উপদেশ জীবনযাপনের প্রতিটি স্তরে প্রয়োগ করলে তা হয়ে উঠতে পারে এক শক্তিশালী প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

  • ইবাদতের মধ্যেই লুক্কায়িত স্বাস্থ্যবিধি: ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের প্রতিটিই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা রাখতে পারে।

    • নামাজ: দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ শুধু আধ্যাত্মিক শান্তিই দেয় না, এটি একটি নিয়মিত শারীরিক কসরতও বটে। রুকু, সিজদা, দাঁড়ানো-বসার এই ছন্দ শরীরে রক্ত চলাচল বাড়ায়, হৃদপিণ্ডকে সক্রিয় রাখে এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত নামাজ আদায়কারীদের মধ্যে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামূলক কম।
    • রোজা: রমজান মাসের রোজা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এক বিশেষ চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ উভয়ই বয়ে আনে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এবং সঠিকভাবে পালন করলে রোজা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। এটি শরীরকে ডিটক্সিফাই করে, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে সাহায্য করে এবং খাদ্যাভ্যাসে শৃঙ্খলা আনে। রমজানকে কেন্দ্র করে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ ‘ডায়াবেটিক রোজাদার ক্লিনিক’ চালু হয়, যা এই ইসলামিক উপদেশ অনুসরণে রোগীদের সাহায্য করে।
    • হজ ও উমরা: এই বৃহৎ ইবাদতগুলোর জন্য প্রয়োজন শারীরিক সক্ষমতা। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখাই হজ/উমরা পালনের জন্য প্রস্তুতির প্রথম ধাপ। দীর্ঘ সময় ধরে হাঁটা, ভিড়ে সামাল দেওয়া – এসবের জন্য সুস্থ শরীর অপরিহার্য।
    • জাকাত ও সদকা: মানসিক চাপ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা। অন্যের জন্য দান-সদকা, জাকাত প্রদান মনকে প্রশান্ত করে, মানসিক চাপ কমায়, যা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
  • খাদ্যাভ্যাস: কুরআন-হাদিসের আলোকে ‘হালাল ও তাইয়্যিব’ পুষ্টি: ইসলাম খাদ্য নির্বাচনে শুধু ‘হালাল’ (অনুমোদিত) নয়, ‘তাইয়্যিব’ (পবিত্র, উত্তম ও স্বাস্থ্যকর) হওয়ার উপর জোর দেয়। “হে মানবমণ্ডলী! পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তুসমূহ থেকে আহার কর…” (সূরা আল-বাকারা, ১৭২)। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এই নীতিই মূল ভিত্তি।

    • মিতাচার: নিয়ন্ত্রণের সর্বোচ্চ শিক্ষা: রাসূল (সা.) বলেছেন, “পেটের এক-তৃতীয়াংশ খাদ্যে, এক-তৃতীয়াংশ পানীয়ে এবং এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য খালি রাখ।” (সুনান ইবনে মাজাহ)। এই অমূল্য ইসলামিক উপদেশ অতিভোজন রোধ করে, যা ডায়াবেটিসের অন্যতম প্রধান কারণ। ছোট প্লেট ব্যবহার, ধীরে ধীরে খাওয়া, খাওয়ার আগে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা এবং পরে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা – এসব অভ্যাস খাওয়ার পরিমাণ ও গতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
    • প্রাকৃতিক ও অপরিশোধিত খাদ্যের প্রাধান্য: কুরআনে উল্লিখিত খেজুর, জলপাই, ডুমুর, আঙ্গুর, মধু, দুধ, শস্যদানা (যব, গম) – এসবই কম গ্লাইসেমিক সূচক (GI) সম্পন্ন বা পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার, যা রক্তে শর্করা ধীরে বৃদ্ধি করে। সাদা চিনি, ময়দা, প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দিয়ে এসব প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ফিরে যাওয়াই ইসলামী শিক্ষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
    • তেলেভাজা ও মিষ্টি সীমিতকরণ: রমজানে ইফতারে বা অন্যান্য সময়ে অতিরিক্ত তেলেভাজা, মিষ্টান্ন গ্রহণ ইসলামের মিতাচারের নীতির পরিপন্থী এবং ডায়াবেটিস রোগীর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। হাদিসে রাসূল (সা.) এর পছন্দনীয় খাবার ছিল সাধারণ, সহজপাচ্য খাবার – যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য আদর্শ।
    • প্রোটিনের উৎস: হালাল পদ্ধতিতে জবাইকৃত চর্বিহীন মাংস (মুরগি, গরু), মাছ, ডাল, ডিম – এসব প্রোটিনের ভালো উৎস, যা রক্তে শর্করা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।
  • শারীরিক পরিশ্রম ও সক্রিয়তা: দেহের হক আদায়: ইসলাম শারীরিক পরিশ্রম ও কর্মঠ জীবনযাপনকে উৎসাহিত করে। রাসূল (সা.) নিজে হেঁটে চলাচল করতেন, ঘরের কাজে অংশ নিতেন এবং প্রয়োজনীয় শারীরিক পরিশ্রম করতেন। “তোমার দেহের তোমার উপর হক আছে।” (সহীহ বুখারি)। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের অন্যতম প্রধান উপায় নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা (যা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক উপদেশ এর বাস্তব রূপ), সাইকেল চালানো, সিঁড়ি ব্যবহার করা, বাগান করা – এগুলো ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। মসজিদে হেঁটে যাওয়া, নামাজ আদায় করা – এগুলোও দৈনন্দিন কার্যকলাপে শারীরিক সক্রিয়তা যোগ করে।

হালাল খাদ্যাভ্যাস থেকে আত্মিক সুস্থতা: প্রতিটি পদক্ষেপে ইসলামিক উপদেশের প্রতিফলন

ডায়াবেটিস শুধু দেহের রোগ নয়; এটি মন ও আত্মাকেও প্রভাবিত করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানও এখন মানসিক সুস্থতাকে ডায়াবেটিস ম্যানেজমেন্টের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ইসলামের বিধানগুলো এখানেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত।

  • মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা: তাওয়াক্কুল ও ধ্যানের শক্তি: ডায়াবেটিস নিয়ে দুশ্চিন্তা, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। ইসলাম মানুষকে আল্লাহর উপর ভরসা (তাওয়াক্কুল) করার শিক্ষা দেয়। “যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে, তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।” (সূরা আত-তালাক, ৩)। এই বিশ্বাস অমূল্য মানসিক শক্তি জোগায়।

    • নামাজ: স্ট্রেস রিলিভারের প্রাকৃতিক পদ্ধতি: নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সামনে নতজানু হওয়া, তাঁর কাছে সবকিছু সঁপে দেওয়া এক গভীর মানসিক প্রশান্তি আনে। নামাজের ধ্যানমূলক দিক (বিশেষত সিজদা) চাপের হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
    • কুরআন তিলাওয়াত ও জিকির: কুরআনের আয়াত তিলাওয়াত, আল্লাহর জিকির (সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার) এবং দরূদ পাঠ মনকে শান্ত করে, হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে এবং সামগ্রিকভাবে শান্তির অনুভূতি দেয়। এটি একটি শক্তিশালী ইসলামিক উপদেশ যা ডায়াবেটিস রোগীর মানসিক ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক।
    • সামাজিক সংযোগ (উম্মাহ): মসজিদে যাওয়া, জামাতে নামাজ আদায় করা, ধর্মীয় মজলিসে অংশ নেওয়া – এসব সামাজিক কার্যক্রম একাকীত্ব দূর করে, সমর্থন জোগায় এবং ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে সাহায্য করে, যা ডায়াবেটিস ম্যানেজমেন্টে সহায়ক।
  • নিয়মানুবর্তিতা ও সময়ানুবর্তিতা: ইসলামী জীবনধারার মৌলিক নীতি: ইসলাম নিয়মিততার উপর জোর দেয় – নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে, রোজা নির্দিষ্ট সময়ে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত খাওয়া, ওষুধ সেবন বা ইনসুলিন নেওয়া, রক্ত পরীক্ষা করা এবং ব্যায়াম করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামী জীবনযাপনের এই নিয়মানুবর্তিতার অভ্যাসই একজন মুসলিমকে ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলাবদ্ধ হতে সাহায্য করে।

  • নিষিদ্ধ বস্তু পরিহার: সুস্থতার জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশ: ইসলাম মাদক, নেশাদায়ক পদার্থ ও ধূমপানকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞাগুলো সরাসরি ডায়াবেটিস রোগীর স্বার্থেই কাজ করে। ধূমপান ডায়াবেটিস রোগীর হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি রোগ ও পায়ের সমস্যার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। মাদক স্নায়ুতন্ত্রকে ধ্বংস করে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণকে অসম্ভব করে তুলতে পারে। এই নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও জটিলতা প্রতিরোধে অত্যন্ত জরুরি।

বাস্তব জীবনে প্রয়োগ: চ্যালেঞ্জ ও সমাধান

ইসলামিক উপদেশ শুনতে সহজ মনে হলেও বাস্তব জীবনে, বিশেষত আধুনিক জীবনযাপনের চাপে, এর প্রয়োগ সহজ নয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কিছু সাধারণ চ্যালেঞ্জ এবং তার সম্ভাব্য ইসলামভিত্তিক সমাধান:

  • সামাজিক অনুষ্ঠানে খাদ্য চাপ: বিবাহ, ঈদ, বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে প্রচুর তেলেভাজা, মিষ্টি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন করা হয়। সমাধান:

    • ইসলামিক দৃষ্টিকোণ: রাসূল (সা.) অন্যের দাওয়াত গ্রহণ করতেন কিন্তু অতিভোজন করতেন না। নিজের স্বাস্থ্যের সীমা জেনে তা মেনে চলা জরুরি। মিতাচারই উত্তম পথ।
    • ব্যবহারিক টিপস: আগে থেকেই পরিকল্পনা করুন (ক্যালরি কাউন্ট), স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নিন (গ্রিলড মাংস, সালাদ), ছোট প্লেটে খান, ধীরে খান এবং পানি পান করুন। অনুষ্ঠানের আয়োজককে নিজের ডায়েটের প্রয়োজনীয়তা জানাতে দ্বিধা করবেন না।
  • রমজানে রক্তে শর্করা ব্যবস্থাপনা: দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা এবং তারপর ইফতারে হঠাৎ প্রচুর খাওয়া – এটি রক্তে শর্করার মারাত্মক ওঠানামার কারণ। সমাধান:

    • ইসলামিক দৃষ্টিকোণ: রোজা রাখার শর্ত হলো শারীরিক সক্ষমতা। গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তির জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে। ডায়াবেটিস রোগীর অবশ্যই রোজা শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং সঠিকভাবে সেহরি-ইফতার করা উচিত।
    • ব্যবহারিক টিপস: সেহরিতে জটিল শর্করা (রুটি, ওটস) ও প্রোটিন রাখুন। ইফতারে খেজুর ও পানি দিয়ে রোজা খুলুন, তারপর হালকা খাবার (স্যুপ, সালাদ) নিন। তেলেভাজা ও মিষ্টি এড়িয়ে চলুন। প্রচুর পানি ও তরল পান করুন (সুগার ফ্রি)। নিয়মিত রক্তে শর্করা মাপুন।
  • মনোবল কমে যাওয়া ও হতাশা: দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হতে পারে, হতাশা আসতে পারে। সমাধান:

    • ইসলামিক দৃষ্টিকোণ: ধৈর্য (সবর) ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গুণ। আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদেরকে অগণিত পুরস্কার দেওয়া হবে।” (সূরা আয-যুমার, ১০)। অসুস্থতাকে পরীক্ষা হিসেবে দেখা এবং এর মাধ্যমে গুনাহ মোচন ও মর্যাদা বৃদ্ধির আশা করা। দোয়া ও ইস্তেগফারকে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করা।
    • ব্যবহারিক টিপস: ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। নিজের অগ্রগতির জন্য নিজেকে পুরস্কৃত করুন (গল্পের বই কেনা, বাগানে সময় কাটানো ইত্যাদি)। পরিবার ও বন্ধুদের কাছ থেকে সমর্থন নিন। প্রয়োজনে কাউন্সেলিং নিন।
  • প্রচলিত ভুল ধারণা: “ইসলামিক ঔষধি” বা “তাবিজ-কবজ” দিয়ে ডায়াবেটিস সেরে যাবে – এমন ভুল ধারণা প্রচলিত। সমাধান:
    • ইসলামিক দৃষ্টিকোণ: রাসূল (সা.) বলেছেন, “হে আল্লাহর বান্দাগণ! চিকিৎসা গ্রহণ কর।” (সুনান আবু দাউদ)। তিনি নিজেও চিকিৎসা গ্রহণ করতেন। ইসলাম চিকিৎসা বিজ্ঞানের গুরুত্ব স্বীকার করে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে উৎসাহিত করে। বৈজ্ঞানিক চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ‘তাবিজ-কবজ’ বা অপ্রমাণিত পদ্ধতির ব্যবহার ইসলাম সমর্থন করে না। চিকিৎসা ও ইসলামিক উপদেশ (সুস্থ জীবনাচরণ) একসাথে গ্রহণ করতে হবে।

চিকিৎসক ও ধর্মীয় নেতার ভূমিকা: সমন্বিত প্রচেষ্টা

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইসলামিক উপদেশ এর সফল প্রয়োগের জন্য চিকিৎসক ও ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • চিকিৎসকদের করণীয়:
    • রোগীর ধর্মীয় বিশ্বাস ও রীতিনীতি সম্পর্কে সংবেদনশীল হওয়া।
    • চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার সময় ইসলামী নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পন্থা সুপারিশ করা (যেমন: মিতাচার, ব্যায়াম, মানসিক সুস্থতার গুরুত্ব)।
    • রমজান বা অন্যান্য ধর্মীয় সময়ের জন্য বিশেষ ডায়েট ও ওষুধের নির্দেশনা প্রদান করা।
    • রোগীকে বুঝতে সাহায্য করা যে ধর্মীয় বিধি-বিধান মেনে চলা তার চিকিৎসারই অংশ।
    • ধর্মীয় নেতাদের সাথে সংযোগ স্থাপন করে যৌথ সচেতনতামূলক কর্মসূচি (সেমিনার, লিফলেট) পরিচালনা করা।
  • ইমাম, খতিব ও ধর্মীয় নেতাদের করণীয়:
    • খুতবা ও ধর্মীয় বক্তৃতায় স্বাস্থ্য, বিশেষ করে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ইসলামী নির্দেশনা নিয়মিত অন্তর্ভুক্ত করা।
    • মসজিদে স্বাস্থ্য ক্যাম্প বা সচেতনতামূলক সেশন আয়োজন করা।
    • সুস্থ জীবনযাপনকে ইবাদতের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা।
    • বৈজ্ঞানিক চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরা এবং ভুল ধারণা (যেমন তাবিজ-কবজে নিরাময়) দূর করা।
    • ডায়াবেটিস রোগীদের মানসিকভাবে সহায়তা করা এবং ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানানো।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (BSMMU) এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শাহীদুল আলম বলেন, “আমরা প্রায়ই দেখি, রোগীরা যখন ইসলামের দেয়া জীবনাচারের নির্দেশনা, যেমন পরিমিত খাওয়া, নিয়মিত হাঁটা-চলা, মানসিক চাপ কমানো, মেনে চলতে শুরু করেন, তাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে লক্ষণীয় উন্নতি ঘটে। এটি শুধু ওষুধের চেয়ে কম কার্যকর নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে আরও টেকসই। চিকিৎসা বিজ্ঞান ও ইসলামিক জীবনবিধির মধ্যে কোনো বিরোধ নেই; বরং তারা একে অপরের পরিপূরক।” বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) – বাংলাদেশে ডায়াবেটিস পরিস্থিতি

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইসলামিক উপদেশ শুধু কিছু বিধি-নিষেধের তালিকা নয়; এটি একটি সামগ্রিক ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনদর্শনের নাম। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে এই দেহ আল্লাহর আমানত, এর যত্ন নেওয়া আমাদের ফরজ দায়িত্ব। মিতাচার, নিয়মানুবর্তিতা, শারীরিক পরিশ্রম, মানসিক প্রশান্তি এবং আল্লাহর উপর ভরসা – এই নীতিগুলোই ডায়াবেটিসের মতো জটিল রোগকে মোকাবিলা করার শক্তি ও দিকনির্দেশনা দেয়। রাসূল (সা.)-এর সুন্নতই হলো সর্বোত্তম জীবনপদ্ধতি, যা শারীরিক ও আত্মিক উভয় সুস্থতারই নিশ্চয়তা দেয়। তাই, শুধু ওষুধের বোতল বা ইনসুলিনের পেনের দিকে তাকিয়ে না থেকে, আসুন ফিরে যাই আমাদের ধর্মের সেই মৌলিক ও চিরন্তন ইসলামিক উপদেশ এর দিকে – পরিমিত আহার, নিয়মিত সক্রিয়তা, পরিষ্কার মন ও অটুট তাওয়াক্কুলের মাধ্যমে গড়ে তুলি একটি সুস্থ, সক্রিয় ও আল্লাহর নৈকট্যপূর্ণ জীবন। আপনার ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনায় আজই একজন যোগ্য চিকিৎসকের পাশাপাশি ইসলামের এই স্বাস্থ্যবিধিগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করুন এবং নিজের জন্য, পরিবারের জন্য একটি উজ্জ্বল, সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুন।


জেনে রাখুন

ইসলামিক দৃষ্টিতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ কী?
ইসলামিক দৃষ্টিতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মূল ভিত্তি হলো মিতাচার (পরিমিত আহার) এবং নিয়মানুবর্তিতা। রাসূল (সা.) এর শিক্ষা অনুযায়ী পেটের এক-তৃতীয়াংশের বেশি ভরাট না করা, হালাল ও তাইয়্যিব (পবিত্র, স্বাস্থ্যকর) খাবার গ্রহণ এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম (যেমন: নামাজের মাধ্যমে, হাঁটা) করা অত্যন্ত জরুরি। এগুলো শুধু রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণেই সাহায্য করে না, বরং দেহের আমানতের হক আদায়েরও শামিল।

ডায়াবেটিস থাকলে রোজা রাখা যাবে কি? ইসলাম কী বলে?
ইসলামে শারীরিক সক্ষমতাই রোজা রাখার পূর্বশর্ত। গুরুতর অসুস্থতার কারণে রোজা রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হলে ইসলাম তা রাখতে বাধ্য করে না; বরং পরে কাজা আদায় বা ফিদয়া দেওয়ার বিধান আছে। ডায়াবেটিস রোগীর রোজা রাখা বা না রাখা সম্পূর্ণভাবে তার শারীরিক অবস্থা, ডায়াবেটিসের ধরন, নিয়ন্ত্রণের মাত্রা এবং ঝুঁকির উপর নির্ভর করে। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলো রমজান শুরুর আগেই ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করে নেওয়া, ওষুধের মাত্রা সমন্বয় করা এবং সঠিক সেহরি-ইফতারের পরিকল্পনা করা। রোজা রাখলেও নিয়মিত রক্তে শর্করা মাপতে হবে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নামাজের ভূমিকা কী?
নামাজ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বহুমুখী ভূমিকা রাখে। প্রথমত, দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় একটি নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম, যা রক্ত চলাচল বাড়ায়, ক্যালরি পোড়ায় এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করে। দ্বিতীয়ত, নামাজের সময় আল্লাহর সামনে নতজানু হওয়া, তাঁর উপর ভরসা করা এবং কুরআন তিলাওয়াত মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। তৃতীয়ত, নামাজের সময়সূচি দৈনন্দিন রুটিনে শৃঙ্খলা আনে, যা খাওয়া-দাওয়া ও ওষুধের সময়মতো সেবনে সহায়ক।

ইসলামে ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বিশেষ কোনো দোয়া বা আমল আছে কি?
ইসলামে যেকোনো রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় আল্লাহর কাছে দোয়া করা এবং ধৈর্য ধারণ করার (সবর) উপর ব্যাপক জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ কোনো নির্দিষ্ট দোয়া না থাকলেও, নবীগণ ও রাসূল (সা.) এর শিখানো সাধারণ অসুস্থতার দোয়াগুলো পড়া যেতে পারে, যেমন: “আল্লাহুম্মা রাব্বান্নাস, আদহাবিল বাস, ওয়াশফি আন্তাশ শাফি, লা শিফাআ ইল্লা শিফাউকা, শিফা’আন লা ইয়ুগাদিরু সাকামা।” (অর্থ: হে মানুষের রব! রোগ দূর করে দাও আর শিফা দান কর, তুমিই শিফাদানকারী, তুমি ছাড়া কোনো শিফা নেই, এমন শিফা দাও যাতে রোগের কোনো চিহ্নও অবশিষ্ট না থাকে।) তবে এটা মনে রাখা জরুরি যে দোয়া ও তাওয়াক্কুলের পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা ও জীবনযাপনে ইসলামিক উপদেশ মেনে চলাও ফরজ। দোয়া চিকিৎসার বিকল্প নয়, বরং এর সহায়ক।

হালাল খাবারের তালিকায় ডায়াবেটিস রোগীর জন্য কোন কোন খাবার বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
হালাল খাবারের তালিকায় ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ খাবারগুলো হলো:

  • জটিল শর্করা: গমের আটার রুটি (পরিমিত), ওটস, ব্রাউন রাইস, ডাল (যা ফাইবার সমৃদ্ধ ও শর্করা ধীরে ছাড়ে)।
  • প্রোটিন: চর্বিহীন মুরগির মাংস, মাছ (বিশেষত সামুদ্রিক মাছ), ডাল, ডিম, বাদাম (কাঠবাদাম, আখরোট – পরিমিত)।
  • সবুজ শাকসবজি: লাউ, কুমড়ো, পেঁপে, শিম, ব্রকলি, ফুলকপি ইত্যাদি (কম ক্যালরি, উচ্চ ফাইবার)।
  • ফল: কম মিষ্টি ও কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যুক্ত ফল যেমন পেয়ারা, জাম, বরই, আপেল, নাশপাতি (পরিমিত পরিমাণে)।
  • সুপারফুড: খেজুর (১-২ টি), জলপাই বা এর তেল, মধু (অতি অল্প পরিমাণে, চিকিৎসকের পরামর্শে)।
  • দুগ্ধজাত: লো-ফ্যাট দুধ বা দই।
    প্রচুর পানি পান করা এবং চিনিযুক্ত পানীয়, তেলেভাজা ও অতিরিক্ত মিষ্টি এড়িয়ে চলা আবশ্যক।

ইসলামিক উপদেশ মেনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করলে কি ওষুধ ছাড়া সম্ভব?
এটি ডায়াবেটিসের ধরন, তীব্রতা এবং রোগীর স্বাস্থ্যের বর্তমান অবস্থার উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের প্রাথমিক পর্যায়ে, যেখানে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স প্রধান সমস্যা, সেখানে কঠোরভাবে ইসলামিক উপদেশ (সুস্থ জীবনাচরণ – মিতাচার, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, মানসিক সুস্থতা) মেনে চললে অনেক সময় ওষুধের প্রয়োজন হয় না বা প্রয়োজনীয়তা কমে যায়। তবে টাইপ-১ ডায়াবেটিস বা অগ্রসর টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, সাধারণত ওষুধ বা ইনসুলিন থেরাপির প্রয়োজন হয়। কোনো অবস্থাতেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। ইসলামিক জীবনাচরণ চিকিৎসার অংশ হিসেবে ওষুধের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং জটিলতা কমাতে সাহায্য করে।


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ নোট: এই নিবন্ধে প্রদত্ত তথ্য ও ইসলামিক উপদেশ সাধারণ জ্ঞানের উদ্দেশ্যে এবং ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে সুস্থ জীবনযাপনের নির্দেশনা প্রদান করে। এটি কোনো অবস্থাতেই যোগ্য চিকিৎসকের পেশাদার পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। ডায়াবেটিস একটি গুরুতর রোগ। আপনার ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার যেকোনো পরিকল্পনা, বিশেষ করে ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন, রোজা রাখার সিদ্ধান্ত বা খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার আগে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তার বা ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।


>

জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।
‘ও ‘নিয়ন্ত্রণে অভ্যাস ইসলাম ইসলামিক উপদেশ উপায়, খাদ্য জীবন ডায়াবেটিস’ নিয়ন্ত্রণ, পরিবর্তন পরিহার প্রতিরোধ প্রভা ব্যায়াম, লেভেল সুস্থ স্বাস্থ্য স্বাস্থ্য গাইড
Md Elias
  • Website

Md Elias is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He is involved in refining content to ensure accuracy, clarity, and consistency across digital platforms. His work reflects a commitment to responsible journalism and reader-focused reporting.

Related Posts
আমল

আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য আমল কেমন হওয়া উচিত

January 13, 2026
দুশ্চিন্তা

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির ইসলামী পথনির্দেশনা

January 11, 2026
নামাজের সময়সূচি ২০২৫

নামাজের সময়সূচি: ১১জানুয়ারি, ২০২৬

January 11, 2026
Latest News
আমল

আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য আমল কেমন হওয়া উচিত

দুশ্চিন্তা

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির ইসলামী পথনির্দেশনা

নামাজের সময়সূচি ২০২৫

নামাজের সময়সূচি: ১১জানুয়ারি, ২০২৬

নামাজের সময়সূচি ২০২৫

নামাজের সময়সূচি: ১০জানুয়ারি, ২০২৬

নামাজের সময়সূচি ২০২৫

নামাজের সময়সূচি: ০৭ জানুয়ারি, ২০২৬

ধারণা

যথাযথ প্রমাণ ছাড়া অন্যের প্রতি কুধারণা জঘন্য অপরাধ

নামাজের সময়সূচি ২০২৫

নামাজের সময়সূচি: ০৬ জানুয়ারি, ২০২৬

নামাজের সময়সূচি ২০২৫

নামাজের সময়সূচি: ০৫ জানুয়ারি, ২০২৬

নামাজের সময়সূচি ২০২৫

নামাজের সময়সূচি: ০৪ জানুয়ারি, ২০২৬

নামাজের সময়সূচি ২০২৫

নামাজের সময়সূচি: ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ZoomBangla iNews is your trusted destination for fast, accurate, and relevant Bangla News. We bring you the latest Bengali news from Bangladesh, India, and around the world. From breaking Bangla news to in-depth coverage of politics, sports, entertainment, lifestyle, and technology—ZoomBangla iNews delivers the stories that truly matter to Bangla news readers.

  • About Us
  • Contact Us
  • Career
  • Advertise
  • DMCA
  • Privacy Policy
  • Feed
  • Authors
  • Editorial Team Info
  • Ethics Policy
  • Correction Policy
  • Fact-Checking Policy
  • Funding Information
  • About Us
  • Contact Us
  • Career
  • Advertise
  • DMCA
  • Privacy Policy
  • Feed
  • Authors
  • Editorial Team Info
  • Ethics Policy
  • Correction Policy
  • Fact-Checking Policy
  • Funding Information
© 2026 ZoomBangla Pvt Ltd. - Powered by ZoomBangla

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • স্বাস্থ্য
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ইতিহাস
    • ক্যাম্পাস
    • ক্যারিয়ার ভাবনা
    • Jobs
    • লাইফ হ্যাকস
    • জমিজমা সংক্রান্ত