
এদিকে ধারণা করা হচ্ছে, শুধু এই দুজনই নয় উত্তর কোরিয়া সরকারের আরও বেশ কিছু কর্মীকে বরখাস্ত করতে পারেন কিম। কিমের জন সম্মুখে আসার পর অনেক বিশ্লেষক দাবি করেছিলেন, সরকারের মধ্যে থাকা বিশ্বাসঘাতকদের বের করা জন্য নিজেই মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছিলেন কিম জং উন।
গত মাসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে খবর এসেছিলো, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর। কিমের মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করে অনেক সংবাদ মাধ্যম। তবে সব গুজব উড়িয়ে দিয়ে গত ১ মে জনসম্মুখে আসেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



