Advertisement

britain-bg-20190428231500

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এখন থেকে এক যুগ পর ‘যুক্তরাজ্য’ নামে কোনো দেশের অস্তিত্ব থাকবে না। লন্ডনভিত্তিক সামাজিক জরিপ প্রতিষ্ঠান ইপসস মোরির এক জরিপে সম্প্রতি এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে শুক্রবার এ কথা জানানো হয়।

ইপসস মোরির ভোটে দেখা যায়, যুক্তরাজ্যের ৫০ শতাংশ মানুষই এখন মনে করে আগামী ১০ বছরের মধ্যে যুক্তরাজ্য বলে কিছু থাকবে না।

মাত্র ২৯ শতাংশ মানুষের ধারণা এক যুগ পরেও যুক্তরাজ্য টিকে থাকবে, অথচ ২০১৪ সালে এ ধারণা পোষণ করত ৪৫ শতাংশ মানুষ। অর্থাৎ যুক্তরাজ্য টিকে থাকার ব্যাপারে আশাবাদী মানুষের সংখ্যাও দিন দিন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

স্কটল্যান্ড শাখার ইপসস মোরির ম্যানেজিং ডিরেক্টর এমিলি গ্রে বলেন, ২০১৪ সালের তুলনায় যুক্তরাজ্যের প্রশ্নে ব্রিটিশরা এখন অনেক বেশি বিভক্ত।

গত ২৫ থেকে ২৮ অক্টোবর এক হাজার একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ওপর ইপসস মোরি এ জরিপ চালায়।

২০১৬ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার প্রশ্নে হওয়া গণভোটে যখন ৫২ থেকে ৪৮ শতাংশ নাগরিক এর পক্ষে ভোট দেয়, তখনই নাখোশ হয় স্কটল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ড। তারা চায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গেই থেকে যেতে।

ফলে ওই গণভোট ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ড নিয়ে গঠিত যুক্তরাজ্যের ঐক্যে চিড় ধরায়।

আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিট কার্যকরের দিকে যুক্তরাজ্য যতই এগিয়ে যাচ্ছে, স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার পক্ষে গণভোটের দাবি ততই জোরালো হয়ে উঠছে।

অন্যদিকে উত্তর আয়ারল্যান্ডেও যুক্তরাজ্য থেকে বেরিয়ে রিপাবলিক আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে যোগ দেয়ার পক্ষে গণভোটের দাবি বেড়ে চলেছে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Shamim Reza is an experienced journalist and sub-editor at Zoom Bangla News, with over 13 years of professional experience in the field of journalism. Known for his strong writing skills and editorial insight, he contributes to producing accurate, engaging, and well-structured news content. Born and brought up in Jashore, his background and experience shape his deep understanding of social and regional perspectives in news reporting.