
কারবালায় ইয়াজিদি বাহিনী পানি-অবরোধ করে। এ কারণে শিশু আসগর যখন তৃষ্ণায় ছটফট করছিলেন তখন ইমাম হুসাইন (আ.) তাকে কোলে নিয়ে তাঁর জন্য পানি চান। পানির পরিবর্তে পাষাণ-হৃদয় ইয়াজিদ সেনাদের একজন তিন শাখা-বিশিষ্ট একটি তীর নিক্ষেপ করলে তা আসগরের নরম গলা ভেদ করে। এই পাষণ্ড ঘাতকের নাম ছিল হারমালা বিন কাহিল। বলা হয়ে থাকে ইমাম তাঁর কয়েক ফোটা রক্ত আকাশের দিকে নিক্ষেপ করলে তা কখনও মাটিতে ফিরে আসেনি। বীর মুখতার কয়েক বছর পর হারমালাকে হত্যা করেছিলেন দূর থেকে গলায় ছুরি নিক্ষেপ করে যা এই পাষণ্ডের গলা বিদ্ধ করেছিল।
প্রতি বছর মহররমের সময় বিশ্বের লাখ লাখ মুসলমান হযরত আলী আসগর (আ.) এর শাহাদত দিবস পালন করেন শোক মিছিলে শূন্য ও রক্তমাখা দোলনা দুলিয়ে। শোকার্ত মায়েরা তাদের শিশুকে কোলে নিয়ে এই শোক মিছিলে অংশে নেন। ফলে সৃষ্টি হয় হৃদয়-বিদারক শোকের পরিবেশ। এছাড়াও তারা এ সময় শিশু ও অন্যদের মধ্যে দুধ বিতরণ করে থাকেন।
এদিন ইরানি নারীরা কেবল দুগ্ধপোষ্য শিশুকে নয় তাদের ছোট ছোট সন্তানদেরও আসগরের পোশাকে সজ্জিত করে আনেন। ইরানের পাশাপাশি পাকিস্তান, ভারত এবং ইরাকসহ বহু দেশে মহররম মাসের প্রথম শুক্রবারে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক আলী আসগর দিবস।

জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



