
রোববার (৭ মার্চ) রাত ৮টায় ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে গৌরীপুরে গাড়ি বহরে মেয়র রফিকের লোকজনের হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ করেন সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ।
এসময় তিনি অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও তার বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত ও দুটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন তার (এমপির) কথা না শুনে মেয়রের কথা শোনে এমনও অভিযোগ করেন নাজিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, মেয়র প্রশাসনকে কিনে নিয়েছে। এমপির কোনো কথা পুলিশ প্রশাসন শোনে না।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. হেলাল উদ্দিন, পৌরসভা নির্বাচনে পরাজিত আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম হবিসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে সংসদ সদস্য বলেন, দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে যাওয়ার পথে পৌর মেয়রের নেতৃত্বে গাড়িবহরে হামলা করেন। গৌরীপুরে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে মেয়র। নৌকার কথা বললেই হামলা হয়। রাজাকারের ছেলের কাছে আমার এই বিপর্যয়। আমি প্রতিরোধ করতে পারতাম, কিন্তু তাতে প্রাণহানির শঙ্কা তৈরি হতো। আমি নিজে অপমানিত হয়ে সেখান থেকে চলে গেছি। মেয়রের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা থাকলেও চার্জশিট দেয়া হয় না। এর মধ্যে পুলিশি স্বার্থ ও ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
গত পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীকে পরাজিত করে মেয়র হন সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংসদকে মুঠোফোনে হুমকি দেয়ার অভিযোগে গত ৩০ জানুয়ারি কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন এমপি নাজিম উদ্দিন আহমেদ নিজেই।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



