
এক সপ্তাহ আগে কট্টরপন্থী তালেবানরা দ্রুত ক্ষমতায় ফিরে আসা এবং হাজার হাজার লোকের পালিয়ে যাওয়ার প্রাণপণ চেষ্টায় অরাজক পরিস্থিতিতে বিশ্বের সুপার পাওয়ার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ম্লান হয়ে যাওয়ার মধ্যে তিনি এই সফরে যাচ্ছেন।
এই সফরে তিনি সিঙ্গাপুর এবং ভিয়েতনামে যাবেন এবং শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরযোগ্যতার ব্যাপারে মিত্রদের মতামত জানতে চাইবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, “ভাইস প্রেসিডেন্ট তাঁর এই সফরে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে অবহিত হবেন।”
এশিয়ান-আমেরিকান এবং মায়ের দিক থেকে ভারতীয় বংশোদ্ভুত হ্যারিস রবিবার সিঙ্গাপুর পৌঁছাবেন, সোমবার এই নগর রাষ্ট্রের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে সফর কার্যক্রম শুরু হবে।
কমলা হ্যারিসের ভিয়েতনাম সফর নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে, কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, কাবুল বিমান বন্দর থেকে যখন মার্কিনী, অন্যান্য বিদেশী এবং তাদের আফগান মিত্রদের সরিয়ে নিতে মার্কিন বাহিনীর নাকাল অবস্থা তখন কমিউনিস্ট দেশটি সফরের মাধ্যমে জনমত এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই সংকটকে ১৯৭৫ সালে সায়গনে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে, এ সময় ভিয়েতনাম বাহিনীর অগ্রযাত্রার মুখে মার্কিন কূটনীতিকদের হেলিকপ্টারে করে সায়গন থেকে সরিয়ে আনা হয়।
কমলা হ্যারিস মঙ্গলবার দিনের শেষদিকে ভিয়েতনামে পৌঁছাবেন। যুক্তরাষ্ট্রের কোন ভাইস প্রেসিডেন্টের এটিই প্রথম ভিয়েতনাম সফর। বাইডেন প্রশাসনের অধীনে কমলা হ্যারিসই প্রথম শীর্ষ পর্যায়ের নেতা হিসাবে এই অঞ্চল সফর করছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



