
একটি ওষুধ কোম্পানিতে কাজ করেন সোনিয়া আক্তার। সাত বছরের ছেলে আনিসকে নিয়েই তার সংসার। তিনি অভিযোগ করেন, স্বামী দেয়নি সংসার-সন্তানের ভরন-পোষণ খরচ। একের পর এক জড়িয়েছে বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কে। করেছে দ্বিতীয় বিয়েও। তাই চার মাস আগে ইতি টেনেছেন ১১ বছরের দাম্পত্যের।
ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের হিসাবে, গত সাত বছরে বিয়ে বিচ্ছেদের প্রবণতা বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। ২০১৮ সালের তুলনায় ১৯-এ ১৭ শতাংশ আর ২০-এ তা আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে ৩০ শতাংশ। ২০১৯ সালে মাসে তালাক হয়েছে ৯২০টি। ২০২০ সালে সে সংখ্যা ১ হাজার ১৯৪। ঘণ্টায় আবেদন একটি।
আইনজীবী মিতি সানজানা জানান, নারীর সামাজিক অগ্রগতি, দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াই বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ মনে হচ্ছে।
এ সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে পারস্পরিক সমঝোতার বিকল্প দেখছেন না সমাজ বিশ্লেষকেরা। পাশাপাশি সহিষ্ণুতা বাড়ানোর পরামর্শও তাদের।
সমাজবিজ্ঞানী ড. নেহাল করিম জানান, মানসিক চাপ দাম্পত্য কলহ তৈরি করছে। সহনশীলতার মধ্য দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



