
লাহোর হাইকোর্টের বিচারক আয়েশা মালিক বলেন, এ ধরনের পরীক্ষা ‘অসম্মানজনক’ এবং ফরেনসিক মূল্য ছিল না। মানবাধিকারকর্মীদের করা দুটি পিটিশনের ভিত্তিতে এই রায় আসলো। এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় কুমারিত্ব পরীক্ষা বন্ধের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন মানবাধিকারকর্মীরা। বিশেষ করে ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগী কোনো নারী আবারো যেন বিড়ম্বনায় না পড়েন, তা চাচ্ছিলেন তারা।
জানা গেছে, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশেও এ ধরনের পিটিশন ঝুলে আছে। সেখানেও মানবাধিকারকর্মীরা কুমারিত্ব বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছেন বহুদিন ধরে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



