
কেনেডি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ম্যাট ফ্লোকা জানিয়েছেন, ভবন ও এর আশপাশে থাকা ট্রাম্পের নামসংবলিত সব সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ভবনের সামনের বড় অক্ষরে লেখা ট্রাম্পের নামও সরিয়ে ফেলা হয়।
গত মে মাসে বিচারক ক্রিস্টোফার কুপার রায় দেন, কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প কেনেডি সেন্টার’ করা আইনসম্মত হয়নি। তিনি বলেন, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কেবল মার্কিন কংগ্রেসের রয়েছে। তাই ট্রাম্পের নাম সরাতে প্রশাসনকে ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছিল।
ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর নিজেকে কেনেডি সেন্টারের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেন। পরে তার সমর্থকদের নিয়ে গঠিত পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী ভবনের গায়ে ট্রাম্পের নামও যুক্ত করা হয়েছিল।
আদালতের রায়ের পর কেনেডি সেন্টারের ওয়েবসাইট থেকেও ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলা হয়। নাম অপসারণের কাজ দেখতে শুক্রবার রাত থেকেই ভবনের বাইরে অনেক মানুষ জড়ো হন।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে সময় বাড়ানোর আবেদন করলেও বিচারক তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, বেআইনি সরকারি সিদ্ধান্ত দীর্ঘায়িত করা জনস্বার্থের পরিপন্থী।
কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন নিয়ে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কয়েকজন শিল্পী তাদের নির্ধারিত অনুষ্ঠানও বাতিল করেছিলেন।
সূত্র : জিওনিউজ
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



