
জামায়াত নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে ডা. শফিকুর রহমান নানা পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে জনসভাকে ঘিরে নেতাকর্মীরা আশা করছেন চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক মানের বন্দর উন্নয়ন, ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও জলাবদ্ধতা নিরসনের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সফরের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনের ধারণা আরও পরিষ্কারভাবে মানুষের সামনে আসবে। বিপুল মানুষের সমাবেশ ঘটানোর লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা জুড়ে পথসভা, গণমিছিল, মাইকিং ও লিফলেট বিতরণসহ ব্যাপক সাংগঠনিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে। নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রস্তুতি সভা, দায়িত্ব বণ্টন ও স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠনের মাধ্যমে শৃঙ্খলাপূর্ণ জনসমাগম নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। বিপুল জনসমাগমের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও মাঠে মোতায়েন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, সম্ভাব্য উন্নয়ন বার্তার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে জামায়াত আমিরের এই সফর রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনী সফর শুরু হবে। সকাল ১১ টায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার পদুয়ায়, দুপুর ২টায় উত্তর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে, সর্বশেষ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তিনি।
তারেক রহমানের নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্র ফিরবে: এমরান সালেহ প্রিন্স
জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম জোনের প্রধান মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, তিনটি জনসভায় মিলিয়ে অন্তত ১৫ থেকে ২০ লাখ মানুষের সমাগম হবে। এই সফরের মূল লক্ষ্য ৫৪ বছরের পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন করে একটি নতুন, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক ব্যবস্থায় দেশকে নিয়ে যাওয়া। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনের রূপরেখা জনগণের সামনে তুলে ধরবেন জামায়াতের আমির। পাশাপাশি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকসহ ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানাবেন তিনি।
এ দিকে জনসমাগমের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। সমাবেশস্থলগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সাদা পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও মাঠে থাকবেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ বলেন, জনসমাগম বিবেচনায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিন স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



