
একের পর এক থানায় হাজির হন তারা। প্রতিটি থানায়ই তারা করতে থাকেন নতুন নতুন অভিযোগ। হিঞ্জেওয়াদি থানায় তারা করেন রাস্তায় তার স্ত্রীর ইভটিজিং-এর স্বীকার হওয়ার অভিযোগ। এরপর ওয়াকার পুলিশ স্টেশনে গিয়ে তারা ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন। ওই দুই পুলিশ স্টেশনে কর্তব্যরত অফিসারদের তৎপরতা দেখে খুশি হন পুলিশ কমিশনার।
তবে আসল ব্যাপারটি ঘটে পিমরি চিঞ্চোয়ার থানায়। পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ প্রকাশ সেখানে গিয়ে অভিযোগ করেন, কোভিড আক্রান্ত রোগী নিয়ে যাওয়ার জন্য একজন অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার তাদের কাছ থেকে অনেক টাকা দাবি করছে।
থানার কর্তব্যরত অফিসার তাকে বলেন, স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে অভিযোগ জানাতে। তারা এই ব্যাপারে কোনো সাহায্য করত পারবেন না।
আর এরপরই ঘটে ক্লাইমেক্স। কমিশনার প্রকাশ করলেন তার আসল পরিচয়। তখন থানার ওই কর্তব্যরত অফিসারের মুখটা কেমন হয়ে গিয়েছিল, তা সহজেই অনুমেয়!
ইতোমধ্যে থানার কর্তব্যরত ওই পুলিশ অফিসারের কাছে ‘কেন অভিযোগ নেওয়া হলো না’ তার ব্যাখ্যা চেয়েছে ঊর্ধ্বতন
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



