
সৌজন্য সাক্ষাতে কয়েক দিন আগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের একজন সদস্যের বাংলাদেশ ও জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে করা বিভ্রান্তিকর ও অসত্য মন্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হয়।
পরে মন্তব্যের প্রতিবাদলিপি হাইকমিশনারের কাছে হস্তান্তর করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাক্ষাৎকারটি অত্যন্ত সৌহার্দ্য ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলে আরো ছিলেন নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, ভারতের বোঝা উচিত, তাদের আগ্রাসন যত জোরদার হবে, বাংলাদেশে ঐক্য তত মজবুত হবে।
গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে গণশক্তি সভা আয়োজিত ‘বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা বা সাম্প্রদায়িক উসকানি’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী অথবা ছাত্রশিবিরকে জঙ্গি বলা হয়। তারা নাকি হাত কাটে, রগ কাটে। আমাদের দুজন মন্ত্রী ছিলেন, যাদের বিরুদ্ধে এক টাকার দুর্নীতির অভিযোগ আসেনি।
কিন্তু অন্যদের দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে। ইসলাম যদি খারাপ হয়, জঙ্গি হয়, মানুষ মারে, তাহলে তাদের তো আকাম-কুকাম করার কথা। কিন্তু তাদের কোনো দুর্নীতি পাওয়া যায়নি। এটা সারা দুনিয়ায় প্রশংসিত হয়েছে।’
স্বৈরাচার আর কখনো ফিরে আসবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, পতিত স্বৈরাচারের একবার পতন হওয়ার পর আবারও এসে জেঁকে বসেছে—এ রকম ইতিহাস নেই।
যে পালিয়েছে, আর ফিরে আসতে পারবে না। যারা চিন্তা করছেন স্বৈরাচার ফিরে আসবে, তাদের এ রকম চিন্তা গুড়ে বালি হবে।
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, ‘বাংলাদেশকে নিয়ে একটা চক্রান্ত চলছে। সরকারকে অস্থিতিশীল করতেই এই চক্রান্ত করা হচ্ছে। আমাদের দেশের স্বৈরাচারিণীর পতনকে ভারত ভালোভাবে নেয়নি।’
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূইয়ার সভাপতিত্বে মতবিনিময়সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



