
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জায়ান্ট ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাকারবার্গ বলেছেন, ‘সেন্সরশিপ নিয়ে উদ্বিগ্ন সরকারের পক্ষে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এসব প্ল্যাটফর্ম সেন্সর করা সঠিক প্রতিচ্ছবি হবে না।’ ফক্স নিউজে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাহী আদেশে জারির মাধ্যমে ট্রাম্প রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে ফেসবুক টুইটারের মতো কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হবে। নির্বাহী আদেশে সই করার আগে ট্রাম্প এসব সামাজিক মাধ্যমকে ‘নিয়ন্ত্রণহীন শক্তি’ বলে অভিহিত করেন।
জাকারবার্গ এ নিয়ে বলেছেন, ‘আমাকে বুঝতে হবে—তারা আসলে কী করতে চায়। তবে সাধারণভাবে আমি মনে করি, সরকার প্ল্যাটফর্ম সেন্সর করা বেছে নিচ্ছে কারণ তারা সেন্সরশিপ নিয়ে উদ্বিগ্ন । আমার কাছে এটি সঠিক কোনো পদক্ষেপ হিসেবে মনে হচ্ছে না।’
যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিকেশন ডিসেন্সি অ্যাক্টের ২৩০ ধারায় আওতায় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো আইনিভাবে আত্নরক্ষার সুযোগ পায়। আইনটির এই ধারার কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো সাধারণত তাদের ব্যবহারকারীদের কোনো পোস্টের জন্য দায়বদ্ধ নয়।
তবে ‘গুড সামারিটান ব্লকিং’– যেমন সহিংস, অশ্লীল, হয়রানিমূলক বা হিংসাত্মক বিষয় মুছে ফেলতে পারবে। ট্রাম্প সাক্ষরিত নির্বাহী আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো সামাজিক নেটওয়ার্ক যদি ব্যবহারকারীদের পোস্ট সম্পাদনা করে, তবে এই আইনি দায়বদ্ধতা প্রযোজ্য নয়।
ট্রাম্প তার ওই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে মার্কিন কংগ্রেস থেকে ধারা ২৩০ ‘অপসারণ বা পরিবর্তন’ করার জন্য আইন গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের এ নির্বাহী আদেশ আইনি বাধার মুখে পড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



