
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ২০২৬ সালের ব্যবস্থাপক সম্মেলন ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে বিগত বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে ২০২৬ সালের ব্যবসার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৌশল নির্ধারণ করা হয়।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আবুল কাশেম মোঃ শিরিন সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন।
সম্মেলনে ব্যাংকের ২৪৩ টি শাখার ব্যবস্থাপকগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকগন ও সিএক্রও এবং ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধতন নির্বাহীবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ এবং ক্লাস্টার প্রধানগণ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আবুল কাশেম মোঃ শিরিন তাঁর বক্তব্যে ২০২৬ সালের ব্যাংকের ব্যবসার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। বিগত বছরে ২,৭০৪ কোটি টাকা অপারেটিং প্রফিট করার জন্য এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য শাখা-ব্যবস্থাপকগণ ও তাদের সহকর্মীদের তিনি অভিনন্দন জানান। যে সব শাখা-ব্যবস্থাপকগণ ২০২৫ সালের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেননি, তারা ২০২৬ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সর্ববৃহৎ অন-লাইন ব্যাংকিং, ফাস্ট ট্রাক, এটিএম, মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, পিওএস টার্মিনাল এবং নেক্সাস পে নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে ব্যাংকের ব্যবসা বৃদ্ধি করতে অধিক মনোযোগী হওয়ার জন্য তিনি শাখা ব্যবস্থাপকগণের প্রতি আহ্বান জানান এবং শাখা ব্যবস্থাপকগণকে গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নের জন্যও নির্দেশনা দেন। তিনি কর্পোরেট বিজনেস এর পাশাপাশি রিটেইল এবং এসএমই বিজনেস বৃদ্ধি করার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।
শিক্ষার্থীদের দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা, মাদ্রাসা শিক্ষককে জরিমানা
ব্যাংকের গ্রাহকসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, একটি ব্যাংকের মূল শক্তি ও সাফল্যের ভিত্তি হলো মানসম্মত গ্রাহকসেবা। তিনি উল্লেখ করেন, উৎকৃষ্ট গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে হলে ব্যাংক কর্মকর্তাদের নিজেদের কার্যক্রম সম্পর্কে সুদৃঢ় জ্ঞান থাকতে হবে, গ্রাহকের প্রয়োজন ও প্রত্যাশা স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে এবং সেবাদানে সহমর্মিতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করতে হবে।
এছাড়া তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, শাখা ব্যবস্থাপকদের দায়িত্ব হলো—গ্রাহকদের জন্য ধারাবাহিকভাবে উচ্চমানের ও নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত করা, যাতে ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকের আস্থা ও সন্তুষ্টি আরও দৃঢ় হয়।
সকল শাখা ব্যবস্থাপকগণ তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন এবং ২০২৬ সালের বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় অংগীকার ব্যক্ত করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


